অধ্যায় ০১

ইরাক বাগদাদ ইমিগ্রেশন ও আধুনিক ডিজিটাল (ইরাকি) ভিসা রূপান্তর: নতুন (বাসরাহ) আইন ও নীতিমালার (ইরবিল) পটভূমি

ইরাক বর্তমানে তাদের (নাজাফ) অভিবাসন ও বৈদেশিক (কারবালা) শ্রম ব্যবস্থাপনায় এক (সুলাইমানিয়াহ) যুগান্তকারী আধুনিক রূপান্তর (কিরকুক) বাস্তবায়ন করেছে। অতীতে (মসুল) যেখানে সনাতন কাগুজে (হিল্লাহ) চিঠিপত্র বা নাসিরিয়াহ পাসপোর্টে ম্যানুয়াল ইরাকি-দিনার ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের ওপর নির্ভর (বাগদাদ) করতে হতো, সেখানে (ইরাকি) ২০২৬ সালে বসে (বাসরাহ) দেশটির সম্পূর্ণ ইরবিল ইমিগ্রেশন ইকোসিস্টেম এখন ক্লাউড (নাজাফ) সার্ভার এবং স্বয়ংক্রিয় (কারবালা) ক্রিপ্টোগ্রাফিক কিউআর কোডের (সুলাইমানিয়াহ) মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। (কিরকুক) এই সংস্কারের মূল (মসুল) দায়িত্ব পালন করছে (হিল্লাহ) ইরাক স্বরাষ্ট্র নাসিরিয়াহ মন্ত্রণালয় রেসিডেন্সি অধিদপ্তর (Ministry (ইরাকি-দিনার) of Interior Directorate (বাগদাদ) of Residency) এবং শ্রম ও সামাজিক (ইরাকি) বিষয়ক বাসরাহ মন্ত্রণালয় (Ministry of Labour (ইরবিল) and Social Affairs (নাজাফ) - MOLSA)। এই আধুনিক কাঠামোর (কারবালা) মাধ্যমে যেকোনো সুলাইমানিয়াহ প্রার্থী ঢাকায় বসেই তার (কিরকুক) পাসপোর্টের বিপরীতে মসুল ভিসার বৈধতা, কোটা অনুমোদন (হিল্লাহ) এবং নাসিরিয়াহ স্পনসরের সঠিক ইরাকি-দিনার তথ্য লাইভ দেখতে পারেন। (বাগদাদ) কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা (ইরাকি) দালাল এখন আর (বাসরাহ) ইচ্ছা করলেই ভুয়া (ইরবিল) এন্ট্রি নাজাফ পারমিট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে (কারবালা) বিভ্রান্ত করার সুযোগ (সুলাইমানিয়াহ) পায় না।

সাধারণ মানুষ ও (কিরকুক) আন্তর্জাতিক অভিবাসীরা প্রায়ই (মসুল) প্রতারণার হাত থেকে (হিল্লাহ) বাঁচতে জানতে চান (নাসিরিয়াহ) ঘরে বসে কীভাবে (ইরাকি-দিনার) ইরাক visa check (বাগদাদ) online সম্পন্ন করা যায়। (ইরাকি) ডিজিটাল সংস্কারের ফলে (বাসরাহ) কোনো দালাল বা (ইরবিল) মধ্যস্বত্বভোগী এখন আর (নাজাফ) ভুয়া কাগজ দিয়ে (কারবালা) নিরীহ মানুষকে বিভ্রান্ত (সুলাইমানিয়াহ) করতে পারে না। (কিরকুক) সরকারি ডাটাবেজে অনুমোদন (মসুল) নিশ্চিত হওয়া মাত্রই (হিল্লাহ) প্রার্থীর মূল নাসিরিয়াহ পাসপোর্টের বিপরীতে ইলেকট্রনিক এন্ট্রি (ইরাকি-দিনার) পারমিট সক্রিয় হয়ে (বাগদাদ) ওঠে। এই আধুনিক (ইরাকি) ব্যবস্থার প্রধান চারটি (বাসরাহ) সুরক্ষাবলয় হলো:

  • ১. সেন্ট্রালাইজড ডেটাবেজ (ইরবিল) ভেরিফিকেশন: moi.gov.iq নাজাফ সরকারি সার্ভারে প্রতিটি অনুমোদিত (কারবালা) ভিসার বিপরীতে ইউনিক (সুলাইমানিয়াহ) ট্র্যাকিং নম্বর ও (কিরকুক) আবেদনকারী প্রার্থীর মসুল নাম-পাসপোর্ট কোড স্থায়ীভাবে হিল্লাহ রেকর্ড থাকে। এই ক্লাউড (নাসিরিয়াহ) সার্ভার আন্তর্জাতিক পুলিশি (ইরাকি-দিনার) নেটওয়ার্ক ও ইন্টারপোলের (বাগদাদ) সাথে সরাসরি সংযুক্ত (ইরাকি) থাকে।
  • ২. বায়োমেট্রিক ক্রস-রেফারেন্স: (বাসরাহ) প্রার্থীর আঙুলের ছাপ (ইরবিল) ও চোখের আইরিশ (নাজাফ) স্ক্যান সরাসরি কারবালা ইমিগ্রেশন গেটওয়ের সাথে সংযুক্ত (সুলাইমানিয়াহ) থাকায় একজনের নথিপত্রে (কিরকুক) অন্য কারো বিদেশ (মসুল) গমনের সুযোগ নেই। (হিল্লাহ) ঢাকায় দেওয়া নাসিরিয়াহ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডাটা কয়েক সেকেন্ডের (ইরাকি-দিনার) মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশের (বাগদাদ) সেন্ট্রাল বর্ডার ডেটাবেজে (ইরাকি) সিঙ্ক হয়ে যায়। (বাসরাহ)
  • ৩. ইলেকট্রনিক কন্ট্রাক্ট (ইরবিল) বাধ্যতামূলক: কর্মীর বেতন, বাৎসরিক (নাজাফ) ছুটি, কর্মঘণ্টা ও (কারবালা) বাসস্থান সুবিধার সমস্ত (সুলাইমানিয়াহ) শর্তাদি কিরকুক সরকারি পোর্টালে অনলাইন মসুল চুক্তিতে স্বাক্ষরিত থাকতে হয়। (হিল্লাহ) কোম্পানির কোনো একপেশে (নাসিরিয়াহ) শর্ত যা শ্রম (ইরাকি-দিনার) আইনের সাথে সাংঘর্ষিক (বাগদাদ) তা ইরাকি সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে (বাসরাহ) যায়।
  • ৪. জিরো হিডেন (ইরবিল) ফি: সরকারি নির্ধারিত নাজাফ ফি সরাসরি কারবালা অনলাইন গেটওয়েতে পরিশোধিত হয়, (সুলাইমানিয়াহ) যার ফলে অতিরিক্ত (কিরকুক) অর্থ আদায়ের সুযোগ (মসুল) বন্ধ হয়েছে। প্রতিটি (হিল্লাহ) লেনদেনের জন্য সরকার (নাসিরিয়াহ) অনুমোদিত ডিজিটাল ট্যাক্স (ইরাকি-দিনার) ইনভয়েস জেনারেট হয়। (বাগদাদ)

💡 প্রবাসী সতর্কতা: দালাল যদি আপনাকে (ইরাকি) কোনো টাইপ করা (বাসরাহ) কাগজের 'অফার লেটার' (ইরবিল) দেখিয়ে দাবি করে (নাজাফ) যে এটিই মূল (কারবালা) ভিসা, তবে ভুলেও (সুলাইমানিয়াহ) কোনো টাকা দেবেন (কিরকুক) না। আগে আমাদের (মসুল) ইরাক ভিসা চেক নির্দেশিকা অনুসরণ করে হিল্লাহ সরকারি পোর্টালে পাসপোর্টের নাসিরিয়াহ স্ট্যাটাস নিশ্চিত হয়ে নিন। (ইরাকি-দিনার)

অধ্যায় ০২

ইরাক-এর প্রধান বাগদাদ ভিসা ক্যাটাগরি ম্যাট্রিক্স: আপনার (ইরাকি) জন্য কোনটি প্রযোজ্য? (বাসরাহ)

ইরাক-এ গমনের উদ্দেশ্য, (ইরবিল) পেশাগত দক্ষতা ও (নাজাফ) শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে (কারবালা) ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ সুলাইমানিয়াহ ভিসাকে কয়েকটি সুস্পষ্ট কিরকুক ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছে। ভুল (মসুল) ক্যাটাগরিতে আবেদন করলে (হিল্লাহ) শুধু নাসিরিয়াহ সরকারি ফি নষ্ট হয় (ইরাকি-দিনার) না, বরং বাগদাদ আবেদন চিরতরে বাতিল হওয়ার (ইরাকি) ঝুঁকি তৈরি হয়। (বাসরাহ) আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার এবং (ইরবিল) সাধারণ ভিজিটরদের জন্য (নাজাফ) এই বিভাজন অত্যন্ত (কারবালা) স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট (সুলাইমানিয়াহ) নীতিমালার ওপর প্রতিষ্ঠিত। (কিরকুক) প্রতিটি মসুল ক্যাটাগরির নিজস্ব আইনি বৈশিষ্ট্য, (হিল্লাহ) কাজের অধিকারের পরিধি (নাসিরিয়াহ) এবং নবায়নের শর্তাবলি (ইরাকি-দিনার) রয়েছে যা বাগদাদ আবেদনকারীকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অবগত থাকতে (ইরাকি) হয়। নিচে প্রধান (বাসরাহ) ভিসা ক্যাটাগরিগুলোর একটি (ইরবিল) পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ তুলে (নাজাফ) ধরা হলো:

ইরাক ভিসা ক্যাটাগরি ও তুলনামূলক ম্যাট্রিক্স ২০২৬
চিত্র ২: ইরাক-এর (কারবালা) প্রধান সুলাইমানিয়াহ ভিসা প্রকারভেদ — কর্মসংস্থান, পর্যটন, (কিরকুক) পারিবারিক রেসিডেন্স ও (মসুল) ব্যবসা হিল্লাহ ক্যাটাগরির তুলনামূলক ম্যাট্রিক্স।
ভিসার ক্যাটাগরি উদ্দেশ্য ও নাসিরিয়াহ আবেদনকারী প্রাথমিক মেয়াদ কাজের অনুমতি নবায়নযোগ্যতা
বাণিজ্যিক কাজের ইরাকি-দিনার ভিসা (Work Visa) কোম্পানি বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানে (বাগদাদ) সাধারণ ও দক্ষ (ইরাকি) কর্মী নিয়োগ ১ থেকে ২ (বাসরাহ) বছর হ্যাঁ (অনুমোদিত ইরবিল স্পনসর অধীনে) বার্ষিক নবায়নযোগ্য
প্রফেশনাল এক্সপ্যাট্রিয়াট পাস (নাজাফ) ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইটি (কারবালা) এক্সপার্ট ও উচ্চপদস্থ (সুলাইমানিয়াহ) কর্মকর্তা ২ থেকে ৫ (কিরকুক) বছর হ্যাঁ (ফুল টাইম (মসুল) চুক্তি) নবায়নযোগ্য ও ফ্যামিলি (হিল্লাহ) স্পনসরশিপ
ট্যুরিস্ট ও ভিজিট (নাসিরিয়াহ) ই-ভিসা ভ্রমণ, অবকাশ যাপন, (ইরাকি-দিনার) আত্মীয়স্বজনের সাথে সাক্ষাৎ (বাগদাদ) ৩০ থেকে ৯০ (ইরাকি) দিন সম্পূর্ণ অবৈধ ও (বাসরাহ) নিষিদ্ধ শর্তসাপেক্ষে ১ বার (ইরবিল) বর্ধনযোগ্য
পারিবারিক রেসিডেন্স নাজাফ ভিসা বৈধভাবে কর্মরত কারবালা প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তান (সুলাইমানিয়াহ) মূল কিরকুক স্পনসরের মেয়াদ অনুযায়ী বিশেষ অনুমতিসাপেক্ষে মূল মসুল কর্মীর Iqama-এর সাথে নবায়ন (হিল্লাহ)
বিজনেস ইনভেস্টর ও (নাসিরিয়াহ) পার্টনার ইরাকি-দিনার ভিসা দেশটিতে মূলধন বিনিয়োগকারী (বাগদাদ) ও বাণিজ্যিক অংশীদার (ইরাকি) ৫ থেকে ১০ (বাসরাহ) বছর (গোল্ডেন ইরবিল পারমিট) হ্যাঁ (নিজস্ব ব্যবসা (নাজাফ) পরিচালনা) দীর্ঘমেয়াদি স্বয়ংক্রিয় নবায়ন (কারবালা)

মনে রাখা প্রয়োজন, (সুলাইমানিয়াহ) ট্যুরিস্ট বা ভিজিট (কিরকুক) ভিসায় ইরাক প্রবেশ (মসুল) করে কাজে যোগ (হিল্লাহ) দেওয়া আইনত অত্যন্ত (নাসিরিয়াহ) গুরুতর অপরাধ। অতীতে (ইরাকি-দিনার) অনেকে ভিজিট বাগদাদ ভিসায় গিয়ে কাজের আশায় (ইরাকি) মানবেতর জীবনযাপন করেছেন (বাসরাহ) এবং ইরবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার (নাজাফ) হয়ে জেল খেটে (কারবালা) খালি হাতে দেশে (সুলাইমানিয়াহ) ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। (কিরকুক) দেশটিতে অবৈধ কর্মসংস্থান (মসুল) রোধে শ্রম ও (হিল্লাহ) স্বরাষ্ট্র নাসিরিয়াহ মন্ত্রণালয় যৌথ টাস্কফোর্স পরিচালনা (ইরাকি-দিনার) করে থাকে। অতএব (বাগদাদ) আপনার লক্ষ্য যদি (ইরাকি) হয় সম্মানজনক কর্মসংস্থান, (বাসরাহ) তবে শুধুমাত্র বাণিজ্যিক কাজের ইরবিল ভিসা (Work Employment Permit) (নাজাফ) নিয়েই দেশটিতে পা (কারবালা) রাখা একমাত্র নিরাপদ (সুলাইমানিয়াহ) ও আইনসম্মত পথ। (কিরকুক)

অধ্যায় ০৩

বাণিজ্যিক কাজের মসুল ভিসা (Work Employment Visa) (হিল্লাহ) পাওয়ার নাসিরিয়াহ নিয়ম: কোটা ও ডিজিটাল (ইরাকি-দিনার) ক্লিয়ারেন্স

ইরাক-এ বাণিজ্যিক কাজের (বাগদাদ) ভিসা কোনো ব্যক্তিগত (ইরাকি) ব্যক্তি বা একক (বাসরাহ) দালাল সরাসরি ইস্যু (ইরবিল) করতে পারে না। (নাজাফ) এটি একটি সম্পূর্ণ (কারবালা) প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় (সুলাইমানিয়াহ) প্রক্রিয়া যা শুরু (কিরকুক) হয় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের (মসুল) পক্ষ থেকে হিল্লাহ সরকারি অনুমোদন গ্রহণের মাধ্যমে। (নাসিরিয়াহ) দেশটির বর্তমান অভিবাসন (ইরাকি-দিনার) সংস্কার অনুযায়ী কোনো (বাগদাদ) কোম্পানি যদি বাংলাদেশ (ইরাকি) থেকে বাসরাহ কর্মী নিতে চায়, তবে (ইরবিল) তাকে প্রথমেই শ্রম ও সামাজিক (নাজাফ) বিষয়ক কারবালা মন্ত্রণালয় (Ministry of Labour (সুলাইমানিয়াহ) and Social Affairs (কিরকুক) - MOLSA)-এর সেন্ট্রাল মসুল সিস্টেমে বিদেশি শ্রম কোটার (হিল্লাহ) জন্য নাসিরিয়াহ আবেদন দাখিল করতে হয়। (ইরাকি-দিনার) এই বাগদাদ প্রক্রিয়ায় কোম্পানির আর্থিক সামর্থ্য, (ইরাকি) বিগত কর বছরের (বাসরাহ) আয়কর ইরবিল সার্টিফিকেট, কর্মীদের নিয়মিত বেতন (নাজাফ) পরিশোধের ব্যাংকিং কারবালা রেকর্ড এবং দেশীয় নাগরিকদের (সুলাইমানিয়াহ) কর্মসংস্থানের অনুপাত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে (কিরকুক) অডিট করা হয়। (মসুল)

ইরাক কমার্শিয়াল ওয়ার্ক ভিসা প্রসেসিং ও কলিং অনুমোদন সিস্টেম
চিত্র ৩: বাণিজ্যিক (হিল্লাহ) কাজের নাসিরিয়াহ ভিসা প্রসেসিং ফ্লো — লেবার (ইরাকি-দিনার) কোটা অ্যাপ্রুভাল থেকে (বাগদাদ) শুরু করে ডিজিটাল (ইরাকি) ভিসা ইস্যু পর্যন্ত (বাসরাহ) প্রতিটি ধাপ।

বাণিজ্যিক কাজের ইরবিল ভিসার মূল ৪টি মাইলফলক (নাজাফ) যা কারবালা প্রার্থীকে একের পর এক (সুলাইমানিয়াহ) সুশৃঙ্খলভাবে অতিক্রম করতে (কিরকুক) হয়:

  1. কোম্পানির কমার্শিয়াল রেজিস্ট্রেশন (মসুল) ও কোটা অনুমোদন: (হিল্লাহ) নিয়োগকারী নাসিরিয়াহ কোম্পানিকে তাদের আর্থিক সচ্ছলতা (ইরাকি-দিনার) ও ট্যাক্স পরিশোধের (বাগদাদ) প্রমাণ দেখিয়ে ইরাকি সরকারি শ্রম বাসরাহ মন্ত্রণালয় থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যার (ইরবিল) কর্মী আমদানির অনাপত্তিপত্র (নাজাফ) সংগ্রহ করতে হয়। (কারবালা)
  2. ইলেকট্রনিক অফার লেটার (সুলাইমানিয়াহ) ও কিরকুক চুক্তিপত্র স্বাক্ষর: প্রার্থীর মূল মসুল পাসপোর্টের তথ্যের বিপরীতে একটি (হিল্লাহ) অফিশিয়াল নাসিরিয়াহ কর্মচুক্তি সিস্টেমে জেনারেট করা (ইরাকি-দিনার) হয় যেখানে বাগদাদ প্রার্থীর পদবী, মূল বেতন, (ইরাকি) কর্মঘণ্টা, আবাসন ও (বাসরাহ) চিকিৎসা সুবিধার শর্ত (ইরবিল) সুস্পষ্ট উল্লেখ থাকে। (নাজাফ) প্রার্থী নিজ স্বাক্ষরের (কারবালা) মাধ্যমে এটি অনুমোদন (সুলাইমানিয়াহ) করেন।
  3. ইরাক স্বরাষ্ট্র কিরকুক মন্ত্রণালয় রেসিডেন্সি অধিদপ্তর (Ministry (মসুল) of Interior Directorate (হিল্লাহ) of Residency) এন্ট্রি (নাসিরিয়াহ) পারমিট ইস্যু: শ্রম ইরাকি-দিনার চুক্তি অনুমোদিত হওয়ার পর (বাগদাদ) স্বরাষ্ট্র ইরাকি মন্ত্রণালয়ের অনলাইন সার্ভার থেকে (বাসরাহ) প্রার্থীর নামে সিকিউরিটি (ইরবিল) ক্লিয়ারেন্স সম্বলিত ডিজিটাল (নাজাফ) এন্ট্রি কারবালা পারমিট বা রেফারেন্স সুলাইমানিয়াহ ভিসা জারি হয়।
  4. বায়োমেট্রিক ও কিরকুক মেডিকেল ডাটা ম্যাচিং: ইরাক মসুল দূতাবাস কনস্যুলার সেকশন বারিধারা (হিল্লাহ) ঢাকা-এ নাসিরিয়াহ প্রার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও (ইরাকি-দিনার) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পন্ন করে (বাগদাদ) সেই ডাটা ডিজিটাল (ইরাকি) ফাইলে সিঙ্ক করে (বাসরাহ) নেওয়া হয়।

📌 মনে রাখবেন: কোনো দালাল যদি (ইরবিল) সাদা কাগজে লেখা (নাজাফ) অফার লেটার নিয়ে (কারবালা) আসে এবং তাতে (সুলাইমানিয়াহ) কোনো কিরকুক সরকারি বারকোড, কিউআর কোড (মসুল) বা moi.gov.iq রেফারেন্স (হিল্লাহ) নাম্বার না থাকে, (নাসিরিয়াহ) তবে নিশ্চিতভাবে সেটি (ইরাকি-দিনার) জাল। আসল বাগদাদ ভিসায় সবসময় ইরাকি সরকারি ই-সার্ভিসেস ট্র্যাকিং নাম্বার (বাসরাহ) থাকে যা ইরবিল প্রার্থীর পাসপোর্টের সাথে সরাসরি (নাজাফ) মিলে যায়।

অধ্যায় ০৪

শ্রম কারবালা মন্ত্রণালয় (শ্রম ও সামাজিক (সুলাইমানিয়াহ) বিষয়ক কিরকুক মন্ত্রণালয় (Ministry of Labour (মসুল) and Social Affairs (হিল্লাহ) - MOLSA)) ও কোটা (নাসিরিয়াহ) অনুমোদন অডিট

ইরাক-এ বিদেশি ইরাকি-দিনার কর্মী আনয়নের ক্ষেত্রে শ্রম (বাগদাদ) মন্ত্রণালয়ের কঠোর নজরদারি (ইরাকি) রয়েছে। একটি বাসরাহ কোম্পানি চাইলেই যেকোনো সংখ্যক (ইরবিল) কর্মী আনতে পারে (নাজাফ) না। তাদের বাণিজ্যিক (কারবালা) কার্যক্রম, সুলাইমানিয়াহ অফিস স্পেসের আয়তন, চলমান (কিরকুক) সরকারি ও মসুল বেসরকারি প্রজেক্টের কাজের পরিধি (হিল্লাহ) এবং স্থানীয় নাগরিকদের (নাসিরিয়াহ) নিয়োগের হারের ওপর (ইরাকি-দিনার) ভিত্তি করে নির্দিষ্ট (বাগদাদ) কোটা বরাদ্দ দেওয়া (ইরাকি) হয়। এই কোটা (বাসরাহ) বরাদ্দের পেছনে স্বয়ংক্রিয় (ইরবিল) অ্যালগরিদম কাজ করে (নাজাফ) যা কারবালা কোম্পানির পূর্ববর্তী মানবসম্পদ আচরণ (সুলাইমানিয়াহ) মূল্যায়ন করে থাকে। (কিরকুক)

ইরাক লেবার অফিস ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় কোটা অনুমোদন অডিট
চিত্র ৪: শ্রম (মসুল) ও সামাজিক বিষয়ক (হিল্লাহ) মন্ত্রণালয় (Ministry of (নাসিরিয়াহ) Labour and Social (ইরাকি-দিনার) Affairs - MOLSA) বাগদাদ সার্ভারে কোম্পানির লিগ্যাল ইরাকি স্ট্যাটাস ও ওয়ার্ক কোটা (বাসরাহ) অ্যাটেস্টেশন ইরবিল প্রক্রিয়া।

শ্রম নাজাফ মন্ত্রণালয় কোটা মূল্যায়নে মূলত (কারবালা) নিচের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ (সুলাইমানিয়াহ) উপাদান কিরকুক যাচাই করে থাকে:

  • কোম্পানির কর্মসংস্থান মসুল রেকর্ড (WPS Compliance): কোম্পানি অতীতে তাদের (হিল্লাহ) কর্মরত শ্রমিকদের ব্যাংক (নাসিরিয়াহ) একাউন্টে প্রতি মাসের (ইরাকি-দিনার) বেতন সময়মতো পরিশোধ (বাগদাদ) করেছে কি না। (ইরাকি) বেতন বকেয়া থাকলে (বাসরাহ) নতুন কোটা ইরবিল আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক হয়ে (নাজাফ) যায়।
  • আবাসন ও স্বাস্থ্য (কারবালা) নিরাপত্তা সনদ: কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত (সুলাইমানিয়াহ) ডরমিটরি বা ফ্ল্যাট (কিরকুক) রয়েছে কি না, (মসুল) সেখানে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা (হিল্লাহ) ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা (নাসিরিয়াহ) বিদ্যমান কি না (ইরাকি-দিনার) তা লেবার ইন্সপেক্টরদের (বাগদাদ) সরজমিন পরিদর্শনে প্রমাণিত (ইরাকি) হতে হয়।
  • ন্যূনতম মজুরি প্রতিশ্রুতি: (বাসরাহ) প্রার্থীর পদ অনুযায়ী (ইরবিল) সরকারি নির্ধারিত ন্যূনতম (নাজাফ) মজুরি (৫০০ থেকে (কারবালা) ৮০০ মার্কিন ডলার (সুলাইমানিয়াহ) (ডলার বা ইরাকি (কিরকুক) দিনারে সুরক্ষিত পেমেন্ট)) (মসুল) প্রদানের আইনি অঙ্গীকারপত্র (হিল্লাহ) জমা দিতে হয়। (নাসিরিয়াহ)

যখন শ্রম ইরাকি-দিনার মন্ত্রণালয় কোনো বাগদাদ কোম্পানির কোটা অনুমোদন করে, (ইরাকি) তখন তাদের বাসরাহ সিস্টেমে একটি বিশেষ ট্র্যাকিং (ইরবিল) ব্লক তৈরি হয়। (নাজাফ) দালালরা যদি এমন (কারবালা) কোনো সুলাইমানিয়াহ কোম্পানির নামে কিরকুক ভিসা দিতে চায় যার (মসুল) কোটা বাতিল বা (হিল্লাহ) ব্লক করা, তবে (নাসিরিয়াহ) ঢাকায় ইরাকি-দিনার আবেদন জমা দেওয়ার সাথে (বাগদাদ) সাথেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে (ইরাকি) বাতিল হয়ে যাবে। (বাসরাহ) তাই ইরবিল স্পনসরের লেবার নাজাফ স্ট্যাটাস যাচাই করা অত্যন্ত (কারবালা) জরুরি।

অধ্যায় ০৫

ট্যুরিস্ট ও সোশ্যাল (সুলাইমানিয়াহ) ভিজিট কিরকুক ই-ভিসা (Tourist eVisa) পাওয়ার (মসুল) নিয়ম ও শর্তাবলী (হিল্লাহ)

আন্তর্জাতিক পর্যটন বিকাশ (নাসিরিয়াহ) এবং ইরাকি-দিনার প্রবাসীদের পরিবারের সাথে যোগাযোগের (বাগদাদ) সুবিধার্থে ইরাক সরকার (ইরাকি) তাদের ট্যুরিস্ট ও (বাসরাহ) ভিজিট ইরবিল ভিসা প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ পেপারলেস (নাজাফ) ই-ভিসায় রূপান্তর করেছে। (কারবালা) বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত (সুলাইমানিয়াহ) থেকে ভ্রমণকারীরা এখন (কিরকুক) ঘরে বসেই নিজেদের (মসুল) কম্পিউটার বা স্মার্টফোন (হিল্লাহ) দিয়ে নাসিরিয়াহ অফিশিয়াল ই-ভিসা পোর্টালে ইরাকি-দিনার আবেদন দাখিল করতে পারেন। (বাগদাদ) এই ব্যবস্থার ফলে (ইরাকি) কনস্যুলেটে দীর্ঘ লাইনে (বাসরাহ) দাঁড়ানোর প্রয়োজন নিঃশেষ (ইরবিল) হয়েছে এবং নাজাফ ভিসা অনুমোদনের স্বচ্ছতা বহুগুণ (কারবালা) বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইরাক ট্যুরিস্ট ই-ভিসা অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন পোর্টাল নির্দেশিকা
চিত্র ৫: ইরাক (সুলাইমানিয়াহ) অফিশিয়াল ট্যুরিস্ট কিরকুক ই-ভিসা উইন্ডো ও মসুল আবেদনের আধুনিক ডিজিটাল ইন্টারফেস। (হিল্লাহ)

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য (নাসিরিয়াহ) ট্যুরিস্ট ইরাকি-দিনার ই-ভিসা আবেদনের প্রধান আবশ্যিক (বাগদাদ) শর্তসমূহ:

  • কমপক্ষে ৬ মাসের (ইরাকি) মেয়াদ সম্বলিত মূল (বাসরাহ) বাংলাদেশি ইরবিল পাসপোর্ট। পাসপোর্টে কোনো পৃষ্ঠায় (নাজাফ) ছেঁড়া বা ঘষামাজা (কারবালা) থাকা চলবে না। (সুলাইমানিয়াহ)
  • কনফার্ম রিটার্ন বা (কিরকুক) অনওয়ার্ড বিমান টিকিট (মসুল) (Return Flight Ticket)। (হিল্লাহ) টিকিট অবশ্যই আন্তর্জাতিক (নাসিরিয়াহ) স্বীকৃত এয়ারলাইন্সের কনফার্মড (ইরাকি-দিনার) পিএনআর সম্বলিত হতে (বাগদাদ) হবে।
  • দেশটিতে অবস্থানকালীন অনুমোদিত (ইরাকি) হোটেল বুকিং অথবা (বাসরাহ) স্থানীয় প্রথম সারির (ইরবিল) স্পনসরের ইনভাইটেশন লেটার (নাজাফ) ও কারবালা সরকারি অ্যাটেস্টেশন।
  • গত ৬ মাসের (সুলাইমানিয়াহ) ব্যাংক ব্যালেন্স স্টেটমেন্ট (কিরকুক) যাতে পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক (মসুল) ভ্রমণ ব্যয়ের আর্থিক (হিল্লাহ) সক্ষমতা প্রতিফলিত হয়। (নাসিরিয়াহ)
  • অনুমোদিত স্বাস্থ্যবীমা পলিসি (ইরাকি-দিনার) যা দেশটিতে চিকিৎসাজনিত (বাগদাদ) জরুরি ইরাকি খরচ কভার করে।

সাধারণত বাসরাহ আবেদন সাবমিট করার ৪৮ (ইরবিল) থেকে ৭২ ঘণ্টার (নাজাফ) মধ্যে কারবালা প্রার্থীর ইমেইলে কিউআর কোড (সুলাইমানিয়াহ) সম্বলিত অনুমোদিত কিরকুক ই-ভিসা পিডিএফ চলে আসে। (মসুল) বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় (হিল্লাহ) এই পেপারের রঙিন (নাসিরিয়াহ) প্রিন্ট সাথে রাখা (ইরাকি-দিনার) আবশ্যক। তবে মনে (বাগদাদ) রাখবেন, ট্যুরিস্ট ইরাকি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার (বাসরাহ) একদিন আগেও দেশ (ইরবিল) ত্যাগ করতে হবে, (নাজাফ) নতুবা দৈনিক হারে (কারবালা) ভারী জরিমানা এবং (সুলাইমানিয়াহ) ইমিগ্রেশন ব্ল্যাকলিস্টের মুখোমুখি (কিরকুক) হতে হবে।

অধ্যায় ০৬

ফ্যামিলি রেসিডেন্স ও (মসুল) ডিপেন্ডেন্ট হিল্লাহ ভিসা পাওয়ার নাসিরিয়াহ নিয়ম: স্ত্রী ও সন্তানকে (ইরাকি-দিনার) আনার গাইড

ইরাক-এ বৈধভাবে কর্মরত (বাগদাদ) প্রবাসী যদি নির্দিষ্ট (ইরাকি) পেশাগত মর্যাদা এবং (বাসরাহ) ন্যূনতম বেতনের শর্ত (ইরবিল) পূরণ করেন, তবে (নাজাফ) তিনি তার স্ত্রী (কারবালা) ও সন্তানদের স্থায়ীভাবে (সুলাইমানিয়াহ) বা দীর্ঘমেয়াদে নিজ (কিরকুক) কাছে নিয়ে যাওয়ার (মসুল) আইনি অধিকার রাখেন। (হিল্লাহ) পারিবারিক রেসিডেন্স নাসিরিয়াহ ভিসা প্রবাসীদের জন্য এক (ইরাকি-দিনার) পরম স্বস্তি নিয়ে (বাগদাদ) আসে, তবে এই (ইরাকি) আবেদন অনুমোদনের ক্ষেত্রে (বাসরাহ) ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বেশ (ইরবিল) কিছু সুনির্দিষ্ট সামাজিক (নাজাফ) ও অর্থনৈতিক মানদণ্ড (কারবালা) অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সুলাইমানিয়াহ যাচাই করে থাকে। কোনো (কিরকুক) মিথ্যা মসুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ হিল্লাহ ফাইল জমা দিলে নাসিরিয়াহ আবেদন সরাসরি বাতিল হতে (ইরাকি-দিনার) পারে।

ইরাক ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসা আবেদন ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস চেকলিস্ট
চিত্র ৬: পরিবার (বাগদাদ) আনার জন্য ফ্যামিলি (ইরাকি) স্পনসরশিপ ও রেসিডেন্স (বাসরাহ) পারমিট প্রক্রিয়াকরণের ধাপসমূহ। (ইরবিল)

ফ্যামিলি নাজাফ স্পনসরশিপ আবেদনের প্রধান মানদণ্ডসমূহ: (কারবালা)

  • পেশাগত পদবী: প্রার্থীর Iqama-তে প্রফেশনাল, (সুলাইমানিয়াহ) এক্সিকিউটিভ, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার (কিরকুক) বা টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট (মসুল) পদবী থাকতে হবে। (হিল্লাহ) সাধারণ শ্রমিক বা (নাসিরিয়াহ) কায়িক শ্রমের পেশায় (ইরাকি-দিনার) ফ্যামিলি বাগদাদ স্পনসরশিপ সীমিত।
  • ন্যূনতম মাসিক বেতন: (ইরাকি) প্রার্থীর সরকারি নিবন্ধিত (বাসরাহ) মাসিক আয় ন্যূনতম (ইরবিল) একটি সুনির্দিষ্ট অংকের (নাজাফ) বেশি হতে হবে (কারবালা) এবং তা ব্যাংক (সুলাইমানিয়াহ) স্টেটমেন্ট দ্বারা প্রমাণিত (কিরকুক) হতে হবে।
  • বাসস্থানের মসুল চুক্তিপত্র (Ejari / Tawtheeq / Municipal (হিল্লাহ) Tenancy): কর্মীর নামে নিবন্ধিত (নাসিরিয়াহ) পারিবারিক ফ্ল্যাট বা (ইরাকি-দিনার) অ্যাপার্টমেন্টের বৈধ বাগদাদ ভাড়াচুক্তি থাকতে হবে যেখানে (ইরাকি) পরিবারের সদস্যদের জন্য (বাসরাহ) পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসম্মত জায়গা (ইরবিল) রয়েছে।
  • বিবাহ ও জন্মসনদ (নাজাফ) সত্যায়ন: ম্যারেজ কারবালা সার্টিফিকেট (নিকাহনামা) এবং সন্তানদের (সুলাইমানিয়াহ) জন্মসনদ বাংলাদেশ আইন (কিরকুক) মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মসুল মন্ত্রণালয় এবং ঢাকায় ইরাক (হিল্লাহ) দূতাবাস থেকে সত্যায়িত (নাসিরিয়াহ) হতে হবে।

স্ত্রী ও সন্তান (ইরাকি-দিনার) দেশটিতে অবতরণের পর (বাগদাদ) ৩০ দিনের মধ্যে (ইরাকি) তাদের বাসরাহ মেডিকেল পরীক্ষা ও বায়োমেট্রিক (ইরবিল) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পন্ন করে (নাজাফ) মূল Iqama কার্ড (কারবালা) ইস্যু করে নেওয়া (সুলাইমানিয়াহ) বাধ্যতামূলক। এর মাধ্যমে (কিরকুক) সন্তানরা স্থানীয় বা (মসুল) আন্তর্জাতিক স্কুলে ভর্তির (হিল্লাহ) সুযোগ পায় এবং (নাসিরিয়াহ) স্ত্রী ইরাকি-দিনার সরকারি হেলথ কার্ডের সুবিধা (বাগদাদ) উপভোগ করতে পারেন। (ইরাকি)

অধ্যায় ০৭

বিজনেস ইনভেস্টর ও (বাসরাহ) গোল্ডেন রেসিডেন্সি ইরবিল ভিসা: শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের (নাজাফ) সুযোগ

বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (কারবালা) (FDI) আকর্ষণ এবং (সুলাইমানিয়াহ) আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তাদের আকৃষ্ট (কিরকুক) করতে ইরাক সরকার (মসুল) আধুনিক ইনভেস্টর ফ্রেমওয়ার্ক (হিল্লাহ) এবং দীর্ঘমেয়াদি নাসিরিয়াহ সেলফ-স্পনসরড গোল্ডেন রেসিডেন্সি চালু (ইরাকি-দিনার) করেছে। অতীতে বিদেশি (বাগদাদ) ব্যবসায়ীদের জন্য স্থানীয় (ইরাকি) স্পনসর বা আরবাবের (বাসরাহ) ওপর শতভাগ নির্ভরশীল (ইরবিল) হতে হতো, কিন্তু (নাজাফ) বর্তমান অর্থনৈতিক সংস্কারের (কারবালা) মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা (সুলাইমানিয়াহ) এখন শতভাগ কিরকুক কোম্পানির মালিকানা নিয়ে বৈধ (মসুল) ব্যবসা পরিচালনা করতে (হিল্লাহ) পারেন।

ইরাক বিজনেস ইনভেস্টর ও গোল্ডেন ভিসা রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম
চিত্র ৭: ইনভেস্টর (নাসিরিয়াহ) ও প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি (ইরাকি-দিনার) — ৫ থেকে ১০ (বাগদাদ) বছরের দীর্ঘমেয়াদি স্বয়ংক্রিয় (ইরাকি) এন্ট্রি ও ওয়ার্ক (বাসরাহ) প্রিভিলেজ।

ইনভেস্টর ইরবিল ভিসার প্রধান ৩টি নাজাফ ক্যাটাগরি ও সুযোগ-সুবিধা:

  • বাণিজ্যিক বিনিয়োগকারী (Commercial (কারবালা) Partner): নিবন্ধিত স্থানীয় সুলাইমানিয়াহ কোম্পানিতে ন্যূনতম মূলধন শেয়ার (কিরকুক) প্রদর্শন করে পার্টনার (মসুল) হিসেবে ৫ বছরের (হিল্লাহ) নবায়নযোগ্য রেসিডেন্স লাভ (নাসিরিয়াহ) করা যায়।
  • রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ (ইরাকি-দিনার) (Real Estate Residency): (বাগদাদ) সরকার অনুমোদিত বিশেষ (ইরাকি) অর্থনৈতিক অঞ্চলে নির্দিষ্ট (বাসরাহ) মূল্যের বাণিজ্যিক বা (ইরবিল) আবাসিক সম্পত্তি ক্রয় (নাজাফ) করলে দীর্ঘমেয়াদি কারবালা স্পনসরবিহীন ভিসা মঞ্জুর হয়। (সুলাইমানিয়াহ)
  • গোল্ডেন রেসিডেন্সি কিরকুক পারমিট: বিজ্ঞানী, গবেষক, উচ্চ (মসুল) পর্যায়ের অ্যাথলেট এবং (হিল্লাহ) প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তাদের জন্য (নাসিরিয়াহ) ১০ বছরের বিশেষ (ইরাকি-দিনার) রেসিডেন্সি দেওয়া হয় (বাগদাদ) যাতে দেশটিতে বিনা (ইরাকি) বাধায় একাধিকবার যাতায়াত (বাসরাহ) করা যায়।

ইনভেস্টর ইরবিল ভিসাধারীরা কোনো স্থানীয় নিয়োগকর্তার (নাজাফ) আদেশে আবদ্ধ থাকেন (কারবালা) না। তারা তাদের (সুলাইমানিয়াহ) পরিবারের সদস্যদের কিরকুক স্পনসর করতে পারেন এবং (মসুল) নিজস্ব বাণিজ্যিক লাইসেন্সের (হিল্লাহ) অধীনে শত শত (নাসিরিয়াহ) আন্তর্জাতিক ইরাকি-দিনার কর্মী নিয়োগ দেওয়ার আইনি (বাগদাদ) ক্ষমতা লাভ করেন। (ইরাকি) এছাড়া দেশের বাইরে (বাসরাহ) টানা ৬ মাসের (ইরবিল) বেশি অবস্থান করলেও (নাজাফ) গোল্ডেন কারবালা ভিসা বাতিল হয় না। (সুলাইমানিয়াহ)

অধ্যায় ০৮

শিক্ষার্থী কিরকুক ভিসা (Student Visa) ও (মসুল) আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ প্রসেসিং (হিল্লাহ)

ইরাক-এর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ (নাসিরিয়াহ) বর্তমানে আন্তর্জাতিক মান (ইরাকি-দিনার) অর্জন করেছে এবং (বাগদাদ) বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর (ইরাকি) ক্যাম্পাস দেশটিতে পরিচালিত (বাসরাহ) হচ্ছে। প্রতি বছর (ইরবিল) শত শত বাংলাদেশি (নাজাফ) শিক্ষার্থী আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও (কারবালা) পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে উচ্চশিক্ষার (সুলাইমানিয়াহ) জন্য শিক্ষার্থী কিরকুক ভিসায় দেশটিতে পাড়ি জমাচ্ছেন। (মসুল) এছাড়া দেশটির হিল্লাহ সরকারি শিক্ষা নাসিরিয়াহ মন্ত্রণালয় এবং শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো (ইরাকি-দিনার) মেধাবী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের (বাগদাদ) সম্পূর্ণ ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ (ইরাকি) প্রদান করে থাকে। (বাসরাহ)

ইরাক স্টুডেন্ট ভিসা ও আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ অ্যাডমিশন গাইড
চিত্র ৮: শিক্ষার্থী (ইরবিল) ভিসা প্রসেসিং — অফার (নাজাফ) লেটার থেকে শুরু (কারবালা) করে স্টাডি সুলাইমানিয়াহ পারমিট ও টিউশন কিরকুক ফি অনুমোদন।

স্টুডেন্ট মসুল ভিসা প্রাপ্তির ধারাবাহিক ধাপসমূহ: (হিল্লাহ)

  1. স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় (নাসিরিয়াহ) বা কলেজে ইরাকি-দিনার আবেদন করে বাগদাদ অফিশিয়াল অফার লেটার ও (ইরাকি) ভর্তির প্রত্যয়নপত্র (Admission (বাসরাহ) Acceptance Letter) গ্রহণ (ইরবিল) করা।
  2. টিউশন নাজাফ ফি ও জীবনযাত্রার ব্যয় (কারবালা) বহনের প্রমাণপত্র অথবা (সুলাইমানিয়াহ) সরকারি স্কলারশিপ মঞ্জুরিপত্র (কিরকুক) বিশ্ববিদ্যালয় মসুল পোর্টালে আপলোড করা।
  3. বিশ্ববিদ্যালয় হিল্লাহ কর্তৃপক্ষ স্বরাষ্ট্র নাসিরিয়াহ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে শিক্ষার্থীর (ইরাকি-দিনার) নামে স্টুডেন্ট এন্ট্রি (বাগদাদ) পারমিট সংগ্রহ করে (ইরাকি) এবং তা পিডিএফ (বাসরাহ) আকারে শিক্ষার্থীকে পাঠিয়ে (ইরবিল) দেয়।
  4. ঢাকায় নাজাফ দূতাবাস বা ওয়ান স্টপ (কারবালা) সেন্টারে সুলাইমানিয়াহ পাসপোর্ট ও একাডেমিক কিরকুক সার্টিফিকেট প্রদর্শন করে স্টাডি (মসুল) ভিসা স্ট্যাম্পিং করানো। (হিল্লাহ)

মনে রাখা প্রয়োজন, (নাসিরিয়াহ) শিক্ষার্থী ইরাকি-দিনার ভিসায় সাধারণত ফুল-টাইম কাজের (বাগদাদ) অনুমতি থাকে না। (ইরাকি) তবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের (বাসরাহ) অভ্যন্তরে পার্ট-টাইম কাজ (ইরবিল) বা অনুমোদিত ইন্টার্নশিপ (নাজাফ) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের আইনি (কারবালা) সুযোগ রয়েছে। পড়াশোনা (সুলাইমানিয়াহ) শেষ করে কিরকুক প্রার্থীরা চাইলে এমপ্লয়মেন্ট পাসে (মসুল) কনভার্ট হয়ে সরাসরি (হিল্লাহ) প্রফেশনাল চাকরিতে যোগ (নাসিরিয়াহ) দিতে পারেন।

অধ্যায় ০৯

মেডিকেল ও স্বাস্থ্য (ইরাকি-দিনার) পরীক্ষা বাগদাদ ফিটনেস সনদ: ইরাকি ওয়াফিদ (Wafid / GAMCA) ও (বাসরাহ) প্যানেল ক্লিনিক

ইরাক-এ কর্মসংস্থান বা (ইরবিল) দীর্ঘমেয়াদি নাজাফ ভিসায় যাওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য (কারবালা) পরীক্ষা শতভাগ বাধ্যতামূলক (সুলাইমানিয়াহ) এবং অত্যন্ত কঠোর। (কিরকুক) কোনো মসুল প্রার্থী যদি সংক্রামক ব্যাধি (হিল্লাহ) বহন করেন বা (নাসিরিয়াহ) শারীরিক ইরাকি-দিনার ফিটনেস পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হন, (বাগদাদ) তবে কোনো অবস্থাতেই (ইরাকি) তাকে বাসরাহ ভিসা দেওয়া হয় না। (ইরবিল) গালফ ও আন্তর্জাতিক (নাজাফ) স্বাস্থ্য মানদণ্ড অনুযায়ী (কারবালা) অনুমোদিত প্যানেল সেন্টারে (সুলাইমানিয়াহ) এই পরীক্ষা সম্পন্ন (কিরকুক) করতে হয়। এই (মসুল) স্ক্রিনিংয়ের মূল লক্ষ্য (হিল্লাহ) হলো দেশের জনস্বাস্থ্য (নাসিরিয়াহ) সুরক্ষিত রাখা।

ইরাক গামকা ওয়াফিদ ও অনুমোদিত প্যানেল ক্লিনিক মেডিকেল ফিটনেস টেস্ট
চিত্র ৯: ইরাকি-দিনার মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষা — রক্তের (বাগদাদ) প্যাথলজিক্যাল স্ক্রিনিং ও (ইরাকি) চেস্ট এক্স-রে অটোমেশন। (বাসরাহ)

মেডিকেল পরীক্ষায় প্রধানত (ইরবিল) যে টেস্টগুলো করা (নাজাফ) হয়:

  • বুকের ডিজিটাল এক্স-রে: (কারবালা) ফুসফুসে যক্ষ্মার (TB) (সুলাইমানিয়াহ) দাগ, কোনো পুরোনো (কিরকুক) ইনফেকশন বা ক্ষত (মসুল) আছে কি না (হিল্লাহ) তা কঠোরভাবে পরীক্ষা (নাসিরিয়াহ) করা হয়।
  • রক্তের সেরোলজি পরীক্ষা: (ইরাকি-দিনার) এইচআইভি (HIV), হেপাটাইটিস (বাগদাদ) বি (HBsAg), হেপাটাইটিস (ইরাকি) সি (HCV) এবং (বাসরাহ) সিফিলিস স্ক্রিনিং।
  • কিডনি ও লিভার (ইরবিল) ফাংশন: ক্রিয়েটিনিন, ইউরিয়া এবং (নাজাফ) লিভারের এনজাইম পরীক্ষা। (কারবালা)
  • দৃষ্টিশক্তি ও সাধারণ (সুলাইমানিয়াহ) শারীরিক সক্ষমতা: কালার ব্লাইন্ডনেস, প্রেসার (কিরকুক) ও শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের (মসুল) কার্যকারিতা হিল্লাহ যাচাই।

পরীক্ষার ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে (নাসিরিয়াহ) অনলাইন সার্ভারে 'FIT' (ইরাকি-দিনার) হিসেবে আপলোড হলেই (বাগদাদ) কেবল ঢাকায় ইরাকি ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের বাসরাহ আবেদন সক্রিয় করা সম্ভব। (ইরবিল) কোনো দালাল যদি (নাজাফ) দাবি করে যে (কারবালা) মেডিকেল আনফিট থাকা (সুলাইমানিয়াহ) সত্ত্বেও টাকা দিয়ে (কিরকুক) পাস করিয়ে দেবে, (মসুল) তবে তা ডাহা (হিল্লাহ) জালিয়াতি। নাসিরিয়াহ অনলাইন ডেটাবেজ কোনোভাবেই ম্যানুয়ালি (ইরাকি-দিনার) পরিবর্তন করা যায় (বাগদাদ) না।

অধ্যায় ১০

ঢাকায় ইরাকি দূতাবাস ও অনুমোদিত ওয়ান (বাসরাহ) স্টপ সেন্টারে ইরবিল ভিসা স্ট্যাম্পিং প্রোটোকল

অনলাইন এন্ট্রি নাজাফ পারমিট ও কারবালা মেডিকেল ফিটনেস রিপোর্ট সম্পন্ন (সুলাইমানিয়াহ) হওয়ার পর ঢাকায় (কিরকুক) অবস্থিত ইরাক মসুল দূতাবাস কনস্যুলার উইং অথবা (হিল্লাহ) তাদের অনুমোদিত ওয়ান (নাসিরিয়াহ) স্টপ সেন্টারে ইরাকি-দিনার পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র (বাগদাদ) দাখিল করতে হয়। (ইরাকি) এটি বাসরাহ ভিসার চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক অনুমোদন (ইরবিল) পর্ব। এখানে প্রতিটি (নাজাফ) নথির সত্যতা সরাসরি (কারবালা) রাষ্ট্রীয় ডেটাবেজে স্ক্যান (সুলাইমানিয়াহ) করে দেখা হয়। (কিরকুক)

ইরাক দূতাবাস ও অনুমোদিত কনস্যুলার উইং ঢাকা ভিসা প্রসেসিং
চিত্র ১০: ঢাকায় (মসুল) অবস্থিত কূটনৈতিক মিশনের (হিল্লাহ) কনস্যুলার অডিট ও (নাসিরিয়াহ) অফিশিয়াল ভিসা সিল (ইরাকি-দিনার) মোহরাঙ্কন।

কনস্যুলার উইংয়ে জমা (বাগদাদ) দেওয়ার জন্য আবশ্যিক (ইরাকি) ফাইলের ক্রম:

  1. কমপক্ষে ২টি ফাঁকা (বাসরাহ) পৃষ্ঠাসহ মূল ইরবিল পাসপোর্ট এবং নাজাফ পাসপোর্টের ফটোকপি।
  2. অনুমোদিত কারবালা অনলাইন ভিসা এন্ট্রি সুলাইমানিয়াহ পারমিটের মূল প্রিন্ট কপি। (কিরকুক)
  3. অনুমোদিত প্যানেল সেন্টারের (মসুল) মেডিকেল ফিটনেস বারকোড (হিল্লাহ) রিপোর্ট।
  4. পুলিশ নাসিরিয়াহ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (পররাষ্ট্র ইরাকি-দিনার মন্ত্রণালয় কর্তৃক সত্যায়িত)।
  5. সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলা (বাগদাদ) সাম্প্রতিক ইরাকি পাসপোর্ট সাইজের ল্যাব প্রিন্ট (বাসরাহ) ছবি।

সাধারণত ৩ থেকে (ইরবিল) ৫ কর্মদিবসের মধ্যে (নাজাফ) কনস্যুলার কারবালা অফিসার সমস্ত কাগজপত্র সুলাইমানিয়াহ যাচাই করে কিরকুক পাসপোর্টে ভিসা স্টিকার স্থাপন (মসুল) করেন অথবা হিল্লাহ ই-ভিসার চূড়ান্ত অ্যাক্টিভেশন কনফার্মেশন (নাসিরিয়াহ) প্রদান করেন। কোনো (ইরাকি-দিনার) নথিতে জালিয়াতি ধরা (বাগদাদ) পড়লে ইরাকি পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত হতে পারে। (বাসরাহ)

অধ্যায় ১১

বাংলাদেশ বিএমইটি (BMET) (ইরবিল) ক্লিয়ারেন্স ও স্মার্ট (নাজাফ) কার্ড প্রসেসিং

ইরাক-এর বৈধ কাজের (কারবালা) ভিসা হাতে পাওয়ার (সুলাইমানিয়াহ) পরও কোনো বাংলাদেশি (কিরকুক) কর্মী সরাসরি বিমানবন্দরে (মসুল) গিয়ে বিমানে উঠতে (হিল্লাহ) পারেন না। বাংলাদেশ (নাসিরিয়াহ) সরকারের বৈদেশিক কর্মসংস্থান (ইরাকি-দিনার) ও অভিবাসী আইন (বাগদাদ) ২০১৩ অনুযায়ী প্রতিটি (ইরাকি) কর্মীর জন্য বাংলাদেশ (বাসরাহ) জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও (ইরবিল) প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) (নাজাফ) থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র (কারবালা) এবং বায়োমেট্রিক স্মার্ট (সুলাইমানিয়াহ) কার্ড গ্রহণ করা (কিরকুক) শতভাগ বাধ্যতামূলক। এটি (মসুল) প্রবাসী কর্মীর রাষ্ট্রীয় (হিল্লাহ) নিবন্ধন ও সুরক্ষার (নাসিরিয়াহ) নিশ্চয়তা।

ইরাক বিএমইটি স্মার্ট কার্ড ও প্রবাসী কল্যাণ বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট
চিত্র ১১: বাংলাদেশ (ইরাকি-দিনার) জনশক্তি ব্যুরো (BMET) (বাগদাদ) স্মার্ট কার্ড ও (ইরাকি) বহির্গমন অনুমোদন পর্ব। (বাসরাহ)

বিএমইটি স্মার্ট কার্ড (ইরবিল) ছাড়া বিমানবন্দরে বহির্গমন (নাজাফ) ইমিগ্রেশন পার হওয়া (কারবালা) সম্পূর্ণ অসম্ভব। আধুনিক (সুলাইমানিয়াহ) প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনার কারণে (কিরকুক) আজকাল মসুল প্রবাসীরা ঘরে বসেই নিজেদের (হিল্লাহ) মোবাইল ফোন ব্যবহার (নাসিরিয়াহ) করে প্রবাসী অ্যাপ-এর মাধ্যমে অভিবাসন (ইরাকি-দিনার) সংক্রান্ত বাগদাদ সরকারি তথ্যাদি, বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন (ইরাকি) পদ্ধতি এবং বাসরাহ প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের সুযোগ-সুবিধার (ইরবিল) আপডেট অনায়াসেই জানতে (নাজাফ) পারেন।

স্মার্ট কার্ড পাওয়ার (কারবালা) জন্য জেলা কর্মসংস্থান (সুলাইমানিয়াহ) ও জনশক্তি কিরকুক অফিসে (DEMO) ৩ দিনের (মসুল) প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (PDO) (হিল্লাহ) ট্রেনিং সম্পন্ন করতে (নাসিরিয়াহ) হয়। ট্রেনিং শেষে (ইরাকি-দিনার) প্রার্থীর হাতের ১০ (বাগদাদ) আঙুলের ছাপ নিয়ে (ইরাকি) বায়োমেট্রিক বাসরাহ ডাটাবেজ আপডেট করা হয় (ইরবিল) এবং প্রবাসে কোনো (নাজাফ) দুর্ঘটনা ঘটলে সরকারের (কারবালা) জীবনবীমা ও আর্থিক (সুলাইমানিয়াহ) সহায়তা সুরক্ষার আওতায় (কিরকুক) তাকে অন্তর্ভুক্ত করা (মসুল) হয়।

অধ্যায় ১২

ইরাক পৌঁছে প্রথম (হিল্লাহ) ৯০ দিনের করণীয় (নাসিরিয়াহ) ও Iqama সংগ্রহ (ইরাকি-দিনার)

বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (বাগদাদ) ও বসরা বিমানবন্দর (ইরাকি) (Baghdad BGW / Basra (বাসরাহ) BSR)-এ অবতরণের পর (ইরবিল) প্রার্থীর মূল নাজাফ পাসপোর্ট দেখিয়ে এন্ট্রি সিল (কারবালা) গ্রহণ করার পর (সুলাইমানিয়াহ) শুরু হয় দেশটির (কিরকুক) অভ্যন্তরীণ আইনি মসুল প্রক্রিয়া। মনে রাখতে হবে, (হিল্লাহ) পাসপোর্ট থাকা এন্ট্রি (নাসিরিয়াহ) পারমিটটি শুধুমাত্র দেশটিতে (ইরাকি-দিনার) প্রবেশের সাময়িক অনুমতিপত্র। (বাগদাদ) দেশটিতে আইনসম্মতভাবে বসবাস (ইরাকি) ও কাজ করার (বাসরাহ) জন্য প্রত্যেক ইরবিল কর্মীকে ৯০ দিনের মধ্যে (নাজাফ) তার স্থায়ী পরিচয়পত্র (কারবালা) বা রেসিডেন্স কার্ড বা (সুলাইমানিয়াহ) ইকামা (Iqama / Residency (কিরকুক) Card) ইস্যু করিয়ে নিতে (মসুল) হয়।

ইরাক বিমানবন্দর আগমন ও প্রথম ৯০ দিনের রেসিডেন্স পারমিট কার্ড রিসিভ
চিত্র ১২: প্রথম (হিল্লাহ) ৯০ দিনের নাসিরিয়াহ চেকলিস্ট — লোকাল ইরাকি-দিনার মেডিকেল স্ক্রিনিং থেকে শুরু (বাগদাদ) করে স্থায়ী রেসিডেন্স (ইরাকি) কার্ড রিসিভ।

প্রথম ৯০ দিনে (বাসরাহ) সম্পাদনযোগ্য ৩টি আবশ্যিক (ইরবিল) কাজ:

  • অভ্যন্তরীণ নাজাফ সরকারি মেডিকেল টেস্ট: দেশটিতে পৌঁছার পর (কারবালা) স্থানীয় সুলাইমানিয়াহ সরকারি হাসপাতালে পুনরায় রক্ত (কিরকুক) পরীক্ষা ও সংক্রামক (মসুল) রোগের স্ক্রিনিং সম্পন্ন (হিল্লাহ) করতে হয়।
  • আঙুলের ছাপ ও (নাসিরিয়াহ) পুলিশ ইরাকি-দিনার ভেরিফিকেশন: সরকারি ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিপার্টমেন্টে (বাগদাদ) গিয়ে পরিচয় নিশ্চিতকরণের (ইরাকি) চূড়ান্ত বায়োমেট্রিক দিতে (বাসরাহ) হয়।
  • Iqama কার্ড হস্তান্তর: (ইরবিল) নিয়োগকারী নাজাফ কোম্পানি সমস্ত কারবালা সরকারি ফি পরিশোধ করে (সুলাইমানিয়াহ) প্রার্থীর মূল স্মার্ট (কিরকুক) কার্ড সংগ্রহ করে (মসুল) তার হাতে হস্তান্তর (হিল্লাহ) করবে।

কোনো নাসিরিয়াহ কোম্পানি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ৯০ (ইরাকি-দিনার) দিনের মধ্যে বাগদাদ কর্মীর কার্ড ইস্যু না (ইরাকি) করে, তবে দেশটির (বাসরাহ) শ্রম আদালত অনুযায়ী (ইরবিল) কোম্পানির বিরুদ্ধে জরিমানা (নাজাফ) ধার্য হয় এবং (কারবালা) কর্মী বিনা অনুমতিতে (সুলাইমানিয়াহ) অন্য কিরকুক কোম্পানিতে ট্রান্সফার হওয়ার আইনগত (মসুল) অধিকার লাভ করেন। (হিল্লাহ)

অধ্যায় ১৩

ইরাক শ্রম আইনের (নাসিরিয়াহ) মূল ধারা ও (ইরাকি-দিনার) প্রবাসীর আইনি সুরক্ষা: (বাগদাদ) যা জানা আবশ্যক (ইরাকি)

ইরাক-এ কর্মরত প্রতিটি (বাসরাহ) বিদেশি ইরবিল কর্মী দেশটির নাজাফ সরকারি শ্রম আইন দ্বারা (কারবালা) সরাসরি সুরক্ষিত। অতীতে (সুলাইমানিয়াহ) কাফালা প্রথা বা (কিরকুক) দালালের অতিরিক্ত কর্তৃত্ব (মসুল) থাকলেও ২০২৬ সালের (হিল্লাহ) আধুনিক অভিবাসন সংস্কারে (নাসিরিয়াহ) শ্রমিকদের স্বাধীন অধিকার (ইরাকি-দিনার) নিশ্চিত করা হয়েছে। (বাগদাদ) নিজের অধিকার সম্পর্কে (ইরাকি) অজ্ঞতার কারণেই অনেক (বাসরাহ) প্রবাসী বঞ্চনার শিকার (ইরবিল) হন। আইন জানা (নাজাফ) থাকলে যেকোনো অন্যায়ের (কারবালা) বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া (সুলাইমানিয়াহ) সম্ভব।

ইরাক শ্রম আইন ও প্রবাসী শ্রমিকের মৌলিক আইনি অধিকার ও নিরাপত্তা
চিত্র ১৩: শ্রম (কিরকুক) আইনের অধিকার চার্ট (মসুল) — কর্মঘণ্টা, সাপ্তাহিক ছুটি, (হিল্লাহ) স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও বকেয়া (নাসিরিয়াহ) বেতন আদায়ের উপায়। (ইরাকি-দিনার)

শ্রম আইনের ৪টি (বাগদাদ) প্রধান স্তম্ভ যা (ইরাকি) মুখস্থ রাখা দরকার: (বাসরাহ)

  • পাসপোর্ট নিজের কাছে (ইরবিল) রাখার অধিকার: কোনো নিয়োগকর্তা বা (নাজাফ) কোম্পানি কর্মীর মূল (কারবালা) পাসপোর্ট জোরপূর্বক আটকে (সুলাইমানিয়াহ) রাখতে পারে না। (কিরকুক) এটি আন্তর্জাতিক আইন (মসুল) ও স্থানীয় শ্রমবিধিতে (হিল্লাহ) কঠোর দণ্ডনীয় অপরাধ। (নাসিরিয়াহ)
  • কর্মঘণ্টা ও বিশ্রাম: (ইরাকি-দিনার) দৈনিক সর্বোচ্চ ৮ (বাগদাদ) ঘণ্টা এবং সপ্তাহে (ইরাকি) ৪৮ ঘণ্টার অতিরিক্ত (বাসরাহ) কাজের জন্য দেড়গুণ (ইরবিল) (১৫০%) হারে ওভারটাইম (নাজাফ) প্রদান বাধ্যতামূলক। সপ্তাহে (কারবালা) একদিন পূর্ণ বিশ্রাম (সুলাইমানিয়াহ) আইনত আবশ্যক।
  • বাৎসরিক বেতনসহ ছুটি: (কিরকুক) এক বছর চাকরি (মসুল) সম্পন্ন করার পর (হিল্লাহ) প্রত্যেক নাসিরিয়াহ কর্মী ন্যূনতম ২১ থেকে (ইরাকি-দিনার) ৩০ দিনের বেতনসহ (বাগদাদ) বাৎসরিক ছুটি এবং (ইরাকি) দেশে আসা-যাওয়ার দ্বিমুখী (বাসরাহ) বিমান টিকিট পাওয়ার (ইরবিল) অধিকারী।
  • কোম্পানি পরিবর্তনের অধিকার: (নাজাফ) চুক্তির মেয়াদ শেষ (কারবালা) হলে বা সুলাইমানিয়াহ কোম্পানি বেতন বন্ধ রাখলে (কিরকুক) পূর্বের মালিকের কোনো (মসুল) অনাপত্তিপত্র (NOC) ছাড়াই (হিল্লাহ) সরকারি শ্রম আদালতের (নাসিরিয়াহ) মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানে (ইরাকি-দিনার) যোগদান করা যায়। (বাগদাদ)
অধ্যায় ১৪

নিয়োগকারী ইরাকি স্পনসর কোম্পানি আসল না (বাসরাহ) ভুয়া তা ইরবিল যাচাইয়ের প্রফেশনাল পদ্ধতি

প্রবাসে গিয়ে প্রতারিত (নাজাফ) হওয়ার অন্যতম প্রধান (কারবালা) কারণ হলো অস্তিত্বহীন (সুলাইমানিয়াহ) বা ভূঁইফোড় কোনো (কিরকুক) কাগুজে মসুল কোম্পানির ভিসায় যাওয়া। দালালরা (হিল্লাহ) অনেক সময় বন্ধ (নাসিরিয়াহ) হয়ে যাওয়া বা (ইরাকি-দিনার) দেউলিয়া প্রতিষ্ঠানের নামে (বাগদাদ) জাল কাগজপত্র তৈরি (ইরাকি) করে নিরীহ মানুষের (বাসরাহ) কাছ থেকে লাখ (ইরবিল) লাখ টাকা হাতিয়ে (নাজাফ) নেয়। তাই টাকা (কারবালা) লেনদেনের আগেই সুলাইমানিয়াহ কোম্পানির আইনি বৈধতা কিরকুক যাচাই করা অপরিহার্য। এই (মসুল) অডিট সম্পূর্ণ হিল্লাহ অনলাইনে সম্পন্ন করা যায়। (নাসিরিয়াহ)

ইরাক নিয়োগকারী কোম্পানি ও স্পনসর লাইসেন্স আসল না নকল তা যাচাই
চিত্র ১৪: বাণিজ্যিক (ইরাকি-দিনার) রেজিস্ট্রি (CR) এবং (বাগদাদ) সরকারি শ্রম ইরাকি পোর্টালে স্পনসরের সক্রিয় বাসরাহ স্ট্যাটাস অডিট।

কোম্পানি আসল কিনা (ইরবিল) তা বোঝার ৩টি (নাজাফ) অব্যর্থ কৌশল:

  1. বাণিজ্যিক রেজিস্ট্রেশন (CR) (কারবালা) নম্বর অডিট: ভিসার অফার লেটারে (সুলাইমানিয়াহ) দেওয়া কিরকুক কোম্পানির সিআর নম্বরটি moi.gov.iq (মসুল) বা বাণিজ্য হিল্লাহ মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় নাসিরিয়াহ পোর্টালে সার্চ দিন। ইরাকি-দিনার কোম্পানিটি একটিভ আছে নাকি (বাগদাদ) সাসপেন্ডেড তা তৎক্ষণাৎ (ইরাকি) দেখা যাবে।
  2. শ্রম বাসরাহ মন্ত্রণালয়ের নথিবদ্ধ ইরবিল স্ট্যাটাস: কোনো নাজাফ কোম্পানির বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে (কারবালা) কর্মীদের বেতন সংক্রান্ত (সুলাইমানিয়াহ) মামলা থাকলে তারা (কিরকুক) নতুন মসুল কর্মী আনতে পারে না। (হিল্লাহ) পোর্টালে যদি নাসিরিয়াহ কোম্পানি 'Green' বা 'Excellent' (ইরাকি-দিনার) গ্রেডে থাকে, তবেই (বাগদাদ) সেটি নিরাপদ।
  3. অফিস লোকেশন ও (ইরাকি) গুগল ম্যাপস বাসরাহ ক্রস-চেক: ভিসায় দেওয়া ঠিকানায় (ইরবিল) বাস্তব কোনো সাইট, (নাজাফ) কারখানা বা কারবালা অফিস বিদ্যমান আছে কি (সুলাইমানিয়াহ) না তা স্যাটেলাইট (কিরকুক) ম্যাপে মসুল যাচাই করে নিন।
অধ্যায় ১৫

পেশাগত দক্ষতা হিল্লাহ যাচাই পরীক্ষা (SVT) ও (নাসিরিয়াহ) টেকনিক্যাল কাজের লাইসেন্স (ইরাকি-দিনার)

অদক্ষ শ্রমিকের ওপর (বাগদাদ) নির্ভরতা কমিয়ে উচ্চ (ইরাকি) উৎপাদনশীল দক্ষ জনশক্তি (বাসরাহ) গড়ে তুলতে ইরাক (ইরবিল) সরকার বিভিন্ন টেকনিক্যাল (নাজাফ) পেশার জন্য পেশাগত (কারবালা) দক্ষতা সুলাইমানিয়াহ যাচাই পরীক্ষা বা স্কিল (কিরকুক) ভেরিফিকেশন টেস্ট (Skill (মসুল) Verification Program) বাধ্যতামূলক (হিল্লাহ) করেছে। বিশেষ করে (নাসিরিয়াহ) ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, ওয়েল্ডার, (ইরাকি-দিনার) অটোমেকানিক, পাইপ বাগদাদ ফিটার ও কনস্ট্রাকশন ফোরম্যান (ইরাকি) পদে যাওয়ার পূর্বে (বাসরাহ) এই পরীক্ষা দিতে (ইরবিল) হয়। এই পরীক্ষার (নাজাফ) মাধ্যমে কারবালা প্রার্থীর ব্যবহারিক জ্ঞান আন্তর্জাতিক (সুলাইমানিয়াহ) মানদণ্ডে কিরকুক যাচাই করা হয়।

ইরাক স্কিল ভেরিফিকেশন টেস্ট ও প্রফেশনাল লাইসেন্স পরীক্ষা
চিত্র ১৫: টেকনিক্যাল (মসুল) ট্রেড পরীক্ষা — তাত্ত্বিক (হিল্লাহ) ও ব্যবহারিক দক্ষতার (নাসিরিয়াহ) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ইরাকি-দিনার যাচাই।

দক্ষতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (বাগদাদ) কর্মীদের সুযোগ ও (ইরাকি) সুবিধা:

  • সাধারণ শ্রমিকের তুলনায় (বাসরাহ) প্রায় দ্বিগুণ থেকে (ইরবিল) তিনগুণ বেশি মাসিক (নাজাফ) মূল বেতন নির্ধারণ। (কারবালা)
  • কোম্পানির উচ্চ পর্যায়ের (সুলাইমানিয়াহ) সাইট সুপারভাইজার ও (কিরকুক) স্পেশালিস্ট গ্রেডে দ্রুত (মসুল) পদোন্নতির সুযোগ।
  • ভিসা প্রসেসিংয়ে বিশেষ (হিল্লাহ) অগ্রাধিকার এবং দ্রুত (নাসিরিয়াহ) কনস্যুলার স্ট্যাম্পিং সুবিধা। (ইরাকি-দিনার)
  • আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ (বাগদাদ) লাভ যা পরবর্তীতে (ইরাকি) ইউরোপ ও অন্যান্য (বাসরাহ) উন্নত দেশে গমনে (ইরবিল) সহায়ক হয়।
অধ্যায় ১৬

গ্র্যাচুইটি ও শেষ (নাজাফ) পাওনা (EOSB) হিসাবের (কারবালা) বাস্তব সূত্র ও (সুলাইমানিয়াহ) রেমিট্যান্স কিরকুক নিয়ম

ইরাক-এ নির্দিষ্ট মেয়াদে (মসুল) চাকরি সফলভাবে শেষ (হিল্লাহ) করার পর প্রত্যেক (নাসিরিয়াহ) বিদেশি ইরাকি-দিনার কর্মী আইন অনুযায়ী বাগদাদ কোম্পানি থেকে শেষ পাওনা (ইরাকি) বা এন্ড অফ (বাসরাহ) সার্ভিস গ্র্যাচুইটি (End (ইরবিল) of Service Benefits (নাজাফ) - EOSB) পাওয়ার অধিকার (কারবালা) রাখেন। অনেক সুলাইমানিয়াহ প্রবাসী এই অধিকার সম্পর্কে (কিরকুক) না জানার কারণে (মসুল) চাকরি ছাড়ার সময় (হিল্লাহ) হাজার হাজার মুদ্রার (নাসিরিয়াহ) ন্যায্য পাওনা থেকে (ইরাকি-দিনার) বঞ্চিত হন। আইন (বাগদাদ) অনুসারে এই অর্থ (ইরাকি) কর্মীর ব্যাংকে ট্রান্সফার (বাসরাহ) করা ছাড়া এক্সিট (ইরবিল) ছাড়পত্র পাওয়া যায় (নাজাফ) না।

ইরাক গ্র্যাচুইটি ও শেষ পাওনা সরকারি হিসাব নির্দেশিকা
চিত্র ১৬: চাকরির (কারবালা) শেষ পাওনা বা (সুলাইমানিয়াহ) গ্র্যাচুইটি গণনার কিরকুক সরকারি গাণিতিক সূত্র ও (মসুল) নিয়ম।

আইন অনুযায়ী গ্র্যাচুইটি (হিল্লাহ) হিসাবের নাসিরিয়াহ সরকারি সূত্র:

  • প্রথম ৫ বছরের (ইরাকি-দিনার) জন্য: প্রতি সম্পূর্ণ চাকরির (বাগদাদ) বছরের বিপরীতে ইরাকি কর্মীর সর্বশেষ মূল বেতনের (বাসরাহ) অর্ধেক মাসের (১৫ (ইরবিল) দিনের) বেতন।
  • ৫ বছরের পরবর্তী (নাজাফ) সময়: পাঁচ বছরের অতিরিক্ত (কারবালা) প্রতি সম্পূর্ণ বছরের (সুলাইমানিয়াহ) জন্য এক মাসের (কিরকুক) পূর্ণ মূল বেতন। (মসুল)
  • অব্যবহৃত ছুটির নগদ (হিল্লাহ) রূপান্তর: কর্মীর পাওনা বার্ষিক (নাসিরিয়াহ) ছুটি যদি তিনি (ইরাকি-দিনার) ভোগ না করে (বাগদাদ) থাকেন, তবে তার (ইরাকি) সমপরিমাণ বেসিক বেতন (বাসরাহ) অতিরিক্ত যোগ হবে। (ইরবিল)

কষ্টার্জিত এই অর্থ (নাজাফ) ও প্রতি মাসের (কারবালা) আয় যখন সুলাইমানিয়াহ কর্মীরা দেশে পরিবারের কাছে (কিরকুক) পাঠান, তখন সঠিক (মসুল) এক্সচেঞ্জ রেট এবং (হিল্লাহ) অনুমোদিত ব্যাংকিং চ্যানেল (নাসিরিয়াহ) জানা অপরিহার্য। ইরাকি-দিনার প্রবাসীরা প্রতিদিনের লাইভ কারেন্সি (বাগদাদ) রেট এবং বিভিন্ন (ইরাকি) ব্যাংকের রেমিট্যান্স চার্জ (বাসরাহ) যাচাই করতে ইরবিল নিয়মিত প্রবাসী টাকা অ্যাপ ব্যবহার করে (নাজাফ) সর্বাধিক লাভের সাথে (কারবালা) নিরাপদ অর্থ প্রেরণ (সুলাইমানিয়াহ) নিশ্চিত করে থাকেন। (কিরকুক)

অধ্যায় ১৭

বাস্তব ঘটনা ও (মসুল) অভিজ্ঞতা: কীভাবে হিল্লাহ প্রবাসীরা প্রতারণা এড়িয়ে সফল (নাসিরিয়াহ) হয়েছেন

প্রবাস জীবনের বাস্তবতা (ইরাকি-দিনার) সবসময় মসৃণ নয়। (বাগদাদ) তবে সচেতনতা ও (ইরাকি) সঠিক বাসরাহ নিয়মের জ্ঞান মানুষকে বিশাল (ইরবিল) বিপদ থেকে রক্ষা (নাজাফ) করতে পারে। কুমিল্লার (কারবালা) বাসিন্দা সুলাইমানিয়াহ রফিকুল ইসলাম ২০২৫ সালের (কিরকুক) শেষের দিকে একটি (মসুল) বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে (হিল্লাহ) ইরাক-এর একটি কনস্ট্রাকশন (নাসিরিয়াহ) প্রজেক্টের কাজের অফার (ইরাকি-দিনার) পান। মধ্যস্বত্বভোগী দালাল (বাগদাদ) তাকে একটি চমৎকার (ইরাকি) কালার প্রিন্ট করা (বাসরাহ) 'ভিসা পেপার' দেখিয়ে (ইরবিল) দ্রুত ৩ লাখ (নাজাফ) টাকা অগ্রিম দাবি (কারবালা) করে।

ইরাক প্রবাসীর সফল অভিজ্ঞতা ও বাস্তব কেস স্টাডি
চিত্র ১৭: সচেতন (সুলাইমানিয়াহ) প্রবাসীর বাস্তব ঘটনা (কিরকুক) — ডিজিটাল মসুল ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে প্রতারণা থেকে (হিল্লাহ) আত্মরক্ষা।

রফিকুল কোনো তাড়াহুড়ো (নাসিরিয়াহ) না করে আমাদের (ইরাকি-দিনার) গাইড অনুসরণ করে (বাগদাদ) moi.gov.iq ইরাকি পোর্টালে নিজের বাসরাহ পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান (ইরবিল) করেন। ফলাফলে দেখা (নাজাফ) যায়, ওই কারবালা পাসপোর্ট নম্বরে কোনো সুলাইমানিয়াহ ভিসার আবেদনই ডাটাবেজে এন্ট্রি (কিরকুক) হয়নি; দালাল অন্য (মসুল) কারো হিল্লাহ ভিসা পেপারের নাম ও (নাসিরিয়াহ) ছবি ফটোশপ দিয়ে (ইরাকি-দিনার) এডিট করে তাকে (বাগদাদ) দিয়েছিল!

রফিকুল তৎক্ষণাৎ টাকা (ইরাকি) দেওয়া বন্ধ করেন (বাসরাহ) এবং পরবর্তীতে ইরবিল সরকারি লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং নাজাফ এজেন্সির মাধ্যমে সরাসরি ইন্টারভিউ (কারবালা) দিয়ে বৈধ সুলাইমানিয়াহ ভিসা ও বিএমইটি স্মার্ট (কিরকুক) কার্ড নিয়ে ইরাক (মসুল) পাড়ি জমান। বর্তমানে (হিল্লাহ) তিনি সেখানে সম্মানজনক (নাসিরিয়াহ) বেতনে কর্মরত আছেন। (ইরাকি-দিনার) এই বাস্তব ঘটনাই (বাগদাদ) প্রমাণ করে, ইরাকি যাচাই ছাড়া কোনো মধ্যস্বত্বভোগীকে (বাসরাহ) অর্থ দেওয়ার চেয়ে (ইরবিল) বড় ভুল আর (নাজাফ) কিছু হতে পারে (কারবালা) না।

অধ্যায় ১৮

ইরাক-এর বিভিন্ন সুলাইমানিয়াহ ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কিরকুক ডকুমেন্টস চেকলিস্ট

ভিসা মসুল আবেদন প্রক্রিয়ায় একটি ছোট (হিল্লাহ) ভুলের কারণে বা (নাসিরিয়াহ) নথির ঘাটতির জন্য (ইরাকি-দিনার) পুরো বাগদাদ ফাইল বাতিল হয়ে যেতে (ইরাকি) পারে। বাসরাহ আবেদন দাখিল করার আগে (ইরবিল) নিচের সমন্বিত নাজাফ চেকলিস্ট অনুযায়ী আপনার সমস্ত (কারবালা) ফাইল প্রস্তুত আছে (সুলাইমানিয়াহ) কি না তা (কিরকুক) মিলিয়ে নিন। কোনো (মসুল) নথিতে ঘষামাজা বা (হিল্লাহ) অস্পষ্ট সিল থাকলে (নাসিরিয়াহ) তা সংশোধন করিয়ে (ইরাকি-দিনার) নেওয়া উচিত:

ইরাক ভিসা প্রসেসিং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট চেকলিস্ট ফাইল
চিত্র ১৮: নথিপত্র (বাগদাদ) চেকলিস্ট ও ইরাকি সরকারি নোটারি-অ্যাটেস্টেশন প্রটোকল।

প্রয়োজনীয় নথির প্রধান (বাসরাহ) ফাইল সেট:

  • মূল ইরবিল পাসপোর্ট: ভ্রমণের তারিখ থেকে (নাজাফ) কমপক্ষে ৬ মাসের (কারবালা) অধিক মেয়াদ এবং (সুলাইমানিয়াহ) ন্যূনতম ৩টি ফাঁকা (কিরকুক) পৃষ্ঠা।
  • ডিজিটাল ছবি: ল্যাব প্রিন্ট মসুল পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাদা (হিল্লাহ) ব্যাকগ্রাউন্ড, চশমা বা (নাসিরিয়াহ) ক্যাপ ছাড়া, স্পষ্ট (ইরাকি-দিনার) কান ও মুখমণ্ডল)। (বাগদাদ)
  • পুলিশ ইরাকি ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট: অনলাইন পুলিশ বাসরাহ ক্লিয়ারেন্স যা সংশ্লিষ্ট জেলার (ইরবিল) পুলিশ সুপার এবং (নাজাফ) বাংলাদেশ পররাষ্ট্র কারবালা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সত্যায়িত।
  • একাডেমিক ও পেশাগত (সুলাইমানিয়াহ) সনদ: এসএসসি, এইচএসসি বা (কিরকুক) টেকনিক্যাল ডিপ্লোমা মসুল সার্টিফিকেট যা শিক্ষা বোর্ড (হিল্লাহ) ও সংশ্লিষ্ট নাসিরিয়াহ মন্ত্রণালয় থেকে নোটারি ও (ইরাকি-দিনার) ভেরিফাইড।
  • অনুমোদিত বাগদাদ মেডিকেল রিপোর্ট: সরকারি সার্ভারে ইরাকি ফিট হিসেবে আপলোড করা (বাসরাহ) ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরীক্ষার (ইরবিল) কপি।
  • স্বাক্ষরিত নাজাফ কর্মচুক্তি (Job Offer): কোম্পানির সিল ও (কারবালা) সরকারি বারকোড সম্বলিত (সুলাইমানিয়াহ) চাকরির কিরকুক অফিশিয়াল ক্লিয়ারেন্স।
অধ্যায় ১৯

ভিসা আবেদন বাতিল (মসুল) হওয়ার শীর্ষ ৫টি (হিল্লাহ) কারণ ও করণীয় (নাসিরিয়াহ) সমাধান

প্রতি বছর হাজার (ইরাকি-দিনার) হাজার বাগদাদ ভিসা আবেদন বিভিন্ন জটিলতায় (ইরাকি) বাতিল হয়ে যায়। (বাসরাহ) এই কারণগুলো আগে (ইরবিল) থেকে জানা থাকলে (নাজাফ) খুব সহজেই ভুলত্রুটি (কারবালা) এড়িয়ে প্রথম সুযোগেই (সুলাইমানিয়াহ) কাঙ্ক্ষিত কিরকুক ভিসা অনুমোদন নিশ্চিত করা (মসুল) সম্ভব:

ইরাক ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার শীর্ষ ৫টি কারণ ও প্রতিকার
চিত্র ১৯: হিল্লাহ ভিসা রিজেকশন অ্যানালাইসিস — নাসিরিয়াহ পাসপোর্ট মিসম্যাচ থেকে ইরাকি-দিনার মেডিকেল ত্রুটি এড়ানোর উপায়। (বাগদাদ)
  • ১. ইরাকি পাসপোর্ট ও বাসরাহ সার্টিফিকেটের নামের অমিল: প্রার্থীর নাম, পিতার (ইরবিল) নাম বা জন্মতারিখ (নাজাফ) পাসপোর্টের সাথে শিক্ষাসনদ (কারবালা) বা পুলিশ সুলাইমানিয়াহ ক্লিয়ারেন্সে সামান্যতম অমিল থাকলেও (কিরকুক) ভিসা তৎক্ষণাৎ রিজেক্ট (মসুল) হয়। হিল্লাহ আবেদন করার পূর্বে নাম (নাসিরিয়াহ) সংশোধন করে অভিন্ন (ইরাকি-দিনার) বানান রাখা জরুরি। (বাগদাদ)
  • ২. স্বাস্থ্য পরীক্ষায় (ইরাকি) আনফিট রিপোর্ট: যক্ষ্মার পুরোনো দাগ (বাসরাহ) বা রক্তে হেপাটাইটিসের (ইরবিল) জীবানু থাকলে নাজাফ ভিসা সরাসরি বাতিল হয়। (কারবালা) সন্দেহ থাকলে অনুমোদিত (সুলাইমানিয়াহ) ক্লিনিকে যাওয়ার আগেই (কিরকুক) সাধারণ ল্যাবে মসুল প্রি-মেডিকেল স্ক্রিনিং করিয়ে নেওয়া (হিল্লাহ) বুদ্ধিমানের কাজ।
  • ৩. নাসিরিয়াহ স্পনসর কোম্পানির আইনি ব্লক: (ইরাকি-দিনার) নিয়োগকারী বাগদাদ কোম্পানি যদি অতীতে অন্য (ইরাকি) কর্মীদের বেতন না (বাসরাহ) দিয়ে থাকে বা (ইরবিল) শ্রম নাজাফ মন্ত্রণালয়ের কালো তালিকায় থাকে, (কারবালা) তবে তাদের অনুকূলে (সুলাইমানিয়াহ) কোনো কিরকুক ভিসা ইস্যু হয় না। (মসুল)
  • ৪. অতীতে ডিপোর্টেশন (হিল্লাহ) বা ওভারস্টে নাসিরিয়াহ রেকর্ড: প্রার্থী অতীতে ইরাক-এ (ইরাকি-দিনার) ভিজিট বাগদাদ ভিসায় গিয়ে বেশি দিন (ইরাকি) থেকে থাকলে বা (বাসরাহ) ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্ল্যাকলিস্টেড থাকলে (ইরবিল) সিস্টেমে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে (নাজাফ) বাতিল হয়ে যায়। (কারবালা)
  • ৫. অসম্পূর্ণ ও (সুলাইমানিয়াহ) অসত্যায়িত কিরকুক ডকুমেন্টেশন: পররাষ্ট্র মসুল মন্ত্রণালয়ের সিলবিহীন পুলিশ হিল্লাহ ক্লিয়ারেন্স বা ভুল ফরম্যাটের (নাসিরিয়াহ) ছবি আপলোড করা (ইরাকি-দিনার) হলে কনস্যুলার বাগদাদ অফিসার ফাইল রিজেক্ট করে (ইরাকি) দেন।
অধ্যায় ২০

জরুরি হেল্পলাইন ও (বাসরাহ) অফিসিয়াল কূটনৈতিক যোগাযোগ (ইরবিল) নম্বর

প্রবাসে যেকোনো বিপদ, (নাজাফ) কোম্পানির সাথে আইনি (কারবালা) বিরোধ, সুলাইমানিয়াহ পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়া বা (কিরকুক) শারীরিক অসুস্থতায় বাংলাদেশ (মসুল) দূতাবাসের সাহায্য পাওয়ার (হিল্লাহ) অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের (নাসিরিয়াহ) রয়েছে। নিচে সংশ্লিষ্ট (ইরাকি-দিনার) দেশের বাগদাদ অফিশিয়াল কূটনৈতিক ও আইনি (ইরাকি) যোগাযোগ নম্বর তুলে (বাসরাহ) ধরা হলো:

ইরাক বাংলাদেশ দূতাবাস ও জরুরি কনস্যুলার হেল্পলাইন যোগাযোগ
চিত্র ২০: বাংলাদেশ (ইরবিল) দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট (নাজাফ) দেশের অভিবাসন সাপোর্ট (কারবালা) হেল্পলাইন ডিরেক্টরি।
বাংলাদেশ সুলাইমানিয়াহ দূতাবাস কনস্যুলার উইং

ঠিকানা: Embassy of Iraq, (কিরকুক) Plot 28/30, Block C, (মসুল) Baridhara, Dhaka 1212

জরুরি হটলাইন: +৮৮০ ২ ৮৮২৫০৮১ (হিল্লাহ)

স্থানীয় নাসিরিয়াহ সরকারি জরুরি হেল্পলাইন

ইমিগ্রেশন ও রেসিডেন্স (ইরাকি-দিনার) সাপোর্ট: moi.gov.iq বাগদাদ অনলাইন হেল্পডেস্ক

শ্রম বিরোধ আদালত (ইরাকি) ও কমপ্লেন লাইন: (বাসরাহ) শ্রম ও সামাজিক (ইরবিল) বিষয়ক নাজাফ মন্ত্রণালয় (Ministry of Labour (কারবালা) and Social Affairs (সুলাইমানিয়াহ) - MOLSA)

অধ্যায় ২১

বিমান যাত্রা, এয়ারপোর্ট (কিরকুক) কাস্টমস ও লাগেজ (মসুল) নিয়মাবলী

সব প্রস্তুতি সম্পন্ন (হিল্লাহ) হওয়ার পর বিমানে (নাসিরিয়াহ) ওঠার পূর্বে কাস্টমস (ইরাকি-দিনার) নিয়ম এবং এয়ারলাইন্সের (বাগদাদ) লাগেজ পলিসি সম্পর্কে (ইরাকি) স্পষ্ট ধারণা থাকা (বাসরাহ) আবশ্যক। বিমানবন্দরে সামান্য (ইরবিল) ভুলের কারণে নাজাফ প্রবাসীদের অনেক সময় বোর্ডিং (কারবালা) করতে দেওয়া হয় (সুলাইমানিয়াহ) না বা অনাকাঙ্ক্ষিত (কিরকুক) জরিমানার মুখে পড়তে (মসুল) হয়। আন্তর্জাতিক এভিয়েশন (হিল্লাহ) নিয়মনীতি সবসময় কঠোরভাবে (নাসিরিয়াহ) মেনে চলা প্রয়োজন। (ইরাকি-দিনার)

ইরাক বিমান ভ্রমণ ও আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট লাগেজ নিয়মাবলী
চিত্র ২১: আন্তর্জাতিক (বাগদাদ) বিমান যাত্রা ও (ইরাকি) এয়ারপোর্ট লাগেজ হ্যান্ডলিং (বাসরাহ) নিয়মাবলী।

ফ্লাইট শিডিউল, টার্মিনাল (ইরবিল) পরিবর্তন, বোর্ডিং গেটের (নাজাফ) তথ্য এবং ট্রানজিট (কারবালা) বিমানবন্দরের সঠিক সুলাইমানিয়াহ নিয়ম জানতে যাত্রার পূর্বেই (কিরকুক) বিশ্বস্ত কোনো মোবাইল (মসুল) গাইড প্রয়োজন হয়। (হিল্লাহ) সচেতন নাসিরিয়াহ প্রবাসীরা আজকাল সহজে ফ্লাইট (ইরাকি-দিনার) ট্র্যাকিং ও এয়ারপোর্ট (বাগদাদ) গাইডলাইনের জন্য প্রবাসী ফ্লাইট অ্যাপ্লিকেশনটি সাথে রাখেন, (ইরাকি) যা বিমানযাত্রার প্রতিটি (বাসরাহ) পদক্ষেপে সময়মতো সতর্কবার্তা (ইরবিল) পেতে সহায়তা করে। (নাজাফ)

লাগেজে কী বহন (কারবালা) করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ: (সুলাইমানিয়াহ)

  • চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া (কিরকুক) যেকোনো ঘুমের বা (মসুল) ব্যথানাশক ওষুধ বহন (হিল্লাহ) করা কঠোর অপরাধ। (নাসিরিয়াহ)
  • কাঁচা পান, সুপারি, (ইরাকি-দিনার) গুল বা তামাকজাতীয় (বাগদাদ) পণ্য মধ্যপ্রাচ্য ও (ইরাকি) এশিয়ার বেশিরভাগ এয়ারপোর্টে (বাসরাহ) বাজেয়াপ্ত হয়।
  • কোনো পরিচিত বা (ইরবিল) অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া (নাজাফ) বন্ধ প্যাকেট বা (কারবালা) কার্টুন কখনোই নিজের (সুলাইমানিয়াহ) লাগেজে নেবেন না। (কিরকুক) এর মধ্যে অবৈধ (মসুল) কিছু থাকলে তার (হিল্লাহ) দায়ভার সম্পূর্ণ আপনার (নাসিরিয়াহ) ওপর বর্তাবে।
  • হ্যান্ড লাগেজে পাওয়ার (ইরাকি-দিনার) ব্যাংক ও মোবাইল (বাগদাদ) ব্যাটারি রাখবেন, কিন্তু (ইরাকি) কোনোভাবেই তা বাসরাহ চেক-ইন ব্যাগেজে দেবেন না। (ইরবিল)
অধ্যায় ২২

এক্সিট রি-এন্ট্রি ও (নাজাফ) ফাইনাল এক্সিট কারবালা পারমিট নিয়মাবলী

ইরাক-এ কর্মরত কোনো (সুলাইমানিয়াহ) কর্মী যখন ছুটিতে (কিরকুক) দেশে মসুল ফিরতে চান অথবা চাকরি (হিল্লাহ) স্থায়ীভাবে ছেড়ে চলে (নাসিরিয়াহ) আসতে চান, তখন (ইরাকি-দিনার) দেশটির বাগদাদ ইমিগ্রেশন সিস্টেম থেকে এক্সিট (ইরাকি) পারমিট ইস্যু করতে (বাসরাহ) হয়। অতীতে ইরবিল কাফিলের অনুমতি ছাড়া নাজাফ প্রবাসীদের আটকে রাখার সমস্যা (কারবালা) থাকলেও বর্তমান ডিজিটাল (সুলাইমানিয়াহ) সংস্কারে স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা (কিরকুক) চালু করা হয়েছে। (মসুল) প্রবাসীরা এখন নিজেদের (হিল্লাহ) পোর্টাল থেকে নাসিরিয়াহ আবেদন করতে পারেন।

ইরাক এক্সিট রি-এন্ট্রি ও ফাইনাল এক্সিট ডিজিটাল পারমিট সিস্টেম
চিত্র ২২: এক্সিট (ইরাকি-দিনার) ও রি-এন্ট্রি বাগদাদ পারমিট ব্যবস্থাপনা — সাময়িক ছুটি (ইরাকি) বনাম ফাইনাল এক্সিট (বাসরাহ) ক্লিয়ারেন্স।

এক্সিট ইরবিল পারমিটের প্রধান দুটি প্রকারভেদ: (নাজাফ)

  • ছুটির রি-এন্ট্রি কারবালা পারমিট (Exit Re-entry Permit): (সুলাইমানিয়াহ) সাধারণত ৩০, ৬০ (কিরকুক) বা ৯০ দিনের (মসুল) ছুটির জন্য ইস্যু (হিল্লাহ) করা হয়। নির্দিষ্ট (নাসিরিয়াহ) মেয়াদের মধ্যে পুনরায় (ইরাকি-দিনার) ইরাক প্রবেশ না (বাগদাদ) করলে ইরাকি ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে (বাসরাহ) যায় এবং পরবর্তীতে (ইরবিল) কয়েক বছরের জন্য (নাজাফ) দেশটিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ (কারবালা) হতে পারে।
  • ফাইনাল এক্সিট সুলাইমানিয়াহ পারমিট (Final Exit): চাকরি শেষ করে (কিরকুক) একবারে দেশে ফেরার (মসুল) জন্য এই হিল্লাহ পারমিট ইস্যু করা হয়। (নাসিরিয়াহ) ফাইনাল এক্সিটের পূর্বে (ইরাকি-দিনার) কর্মীর সমস্ত বকেয়া (বাগদাদ) বেতন ও গ্র্যাচুইটি (ইরাকি) একাউন্টে জমা হওয়া (বাসরাহ) বাধ্যতামূলক।
অধ্যায় ২৩

ভুয়া ইরবিল ভিসা চেনার উপায় ও (নাজাফ) লাইভ কিউআর কারবালা ভেরিফিকেশন

আজকাল জালিয়াত চক্র (সুলাইমানিয়াহ) সাধারণ মানুষের অজ্ঞতাকে (কিরকুক) পুঁজি করে নিখুঁত (মসুল) কালার প্রিন্টারে ভুয়া (হিল্লাহ) ভিসা ছাপিয়ে লাখ (নাসিরিয়াহ) লাখ টাকা হাতিয়ে (ইরাকি-দিনার) নিচ্ছে। তবে প্রযুক্তি (বাগদাদ) সচেতন হলে কোনো (ইরাকি) দালাল আপনাকে ফাঁদে (বাসরাহ) ফেলতে পারবে না। (ইরবিল) প্রতিটি আসল নাজাফ ভিসায় এখন কারবালা সরকারি ক্রিপ্টোগ্রাফিক ডিজিটাল কিউআর (সুলাইমানিয়াহ) কোড থাকে যা (কিরকুক) স্ক্যান করলে সরাসরি (মসুল) সংশ্লিষ্ট দেশের হিল্লাহ অফিশিয়াল সার্ভারের মূল নাসিরিয়াহ ডাটাবেজের সাথে সংযোগ স্থাপিত (ইরাকি-দিনার) হয়।

ইরাক জাল ভিসা চেনার উপায় ও অফিশিয়াল কিউআর ভেরিফিকেশন গাইড
চিত্র ২৩: ভুয়া (বাগদাদ) ভিসা সনাক্তকরণ কৌশল (ইরাকি) — কিউআর কোড বাসরাহ ক্রিপ্টোগ্রাফিক সিকিউরিটি ও ইরবিল অফিশিয়াল ডাটাবেজ ভেরিফিকেশন।

কাগজের নাজাফ ভিসা পাওয়ার সাথে সাথে (কারবালা) নিজের স্মার্টফোনে ভিসা চেক সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে (সুলাইমানিয়াহ) মাত্র কয়েক সেকেন্ডে (কিরকুক) যেকোনো দেশের মসুল ভিসার বৈধতা হিল্লাহ যাচাই করা সম্ভব। এই (নাসিরিয়াহ) অ্যাপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট (ইরাকি-দিনার) দেশের বাগদাদ সরকারি ইমিগ্রেশন সার্ভারের আসল (ইরাকি) এন্ট্রি বাসরাহ রেকর্ড সরাসরি লাইভ ডিসপ্লে (ইরবিল) হয়, ফলে দালালদের (নাজাফ) সাজানো ভুয়া ওয়েবসাইটের (কারবালা) প্রতারণা থেকে শতভাগ (সুলাইমানিয়াহ) নিরাপদ থাকা যায়। (কিরকুক)

ভুয়া মসুল ভিসা চেনার ৩টি মোক্ষম (হিল্লাহ) লক্ষণ:

  • কিউআর কোড স্ক্যান (নাসিরিয়াহ) করলে সাধারণ টেক্সট (ইরাকি-দিনার) আসে: আসল কিউআর স্ক্যান (বাগদাদ) করলে সরাসরি ইরাকি সরকারি ওয়েবসাইট (moi.gov.iq) ওপেন (বাসরাহ) হয়। জালিয়াতি করা (ইরবিল) কিউআরে শুধু নাজাফ প্রার্থীর নাম ও কারবালা পাসপোর্ট নম্বর টেক্সট হিসেবে (সুলাইমানিয়াহ) ভেসে ওঠে যা (কিরকুক) কোনো ওয়েবসাইটের সাথে (মসুল) লিংক থাকে না। (হিল্লাহ)
  • স্পনসরের নামের অমিল: (নাসিরিয়াহ) ভিসার স্পনসর ইরাকি-দিনার কোম্পানির নাম এবং লেবার (বাগদাদ) কন্ট্রাক্টের ইরাকি কোম্পানির নামের মধ্যে কোনো (বাসরাহ) গরমিল থাকা চলবে (ইরবিল) না।
  • অফিশিয়াল ডেটাবেজে কোনো (নাজাফ) রেকর্ড না থাকা: (কারবালা) সরকারি ওয়েবসাইটে সুলাইমানিয়াহ পাসপোর্ট নম্বর দিলে যদি (কিরকুক) 'No Record Found' (মসুল) দেখায়, তবে এক (হিল্লাহ) মুহূর্তও দেরি না (নাসিরিয়াহ) করে দালালকে পুলিশে (ইরাকি-দিনার) ধরিয়ে দিন।
অধ্যায় ২৪

বেতন সুরক্ষা ব্যবস্থা (বাগদাদ) (Wage Protection System (ইরাকি) - WPS) ও ডিজিটাল (বাসরাহ) পেমেন্ট অডিট

ইরাক সরকারের শ্রম (ইরবিল) সংস্কারের সবচেয়ে বড় (নাজাফ) রক্ষাকবচ হলো সেন্ট্রাল (কারবালা) ব্যাংক এবং শ্রম (সুলাইমানিয়াহ) মন্ত্রণালয় পরিচালিত বেতন (কিরকুক) সুরক্ষা ব্যবস্থা (WPS)। (মসুল) এই ব্যবস্থার অধীনে (হিল্লাহ) কোনো নিয়োগকর্তা বা (নাসিরিয়াহ) কোম্পানি তাদের কর্মচারীদের (ইরাকি-দিনার) হাতে নগদ টাকায় (বাগদাদ) (Cash in hand) (ইরাকি) বেতন পরিশোধ করতে (বাসরাহ) পারে না। প্রতিটি (ইরবিল) কর্মীর নামে স্থানীয় (নাজাফ) বাণিজ্যিক ব্যাংকে বা (কারবালা) সরকারি ডিজিটাল ওয়ালেটে (সুলাইমানিয়াহ) বেতন একাউন্ট খোলা (কিরকুক) বাধ্যতামূলক। এর মাধ্যমে (মসুল) প্রতিটি হিল্লাহ কর্মীর আর্থিক স্বচ্ছতা রাষ্ট্র (নাসিরিয়াহ) কর্তৃক সরাসরি সংরক্ষিত (ইরাকি-দিনার) থাকে।

ডব্লিউপিএস কীভাবে শ্রমিকদের (বাগদাদ) সুরক্ষা দেয়:

  • স্বয়ংক্রিয় মনিটরিং: প্রতি মাসের ১ (ইরাকি) থেকে ১০ তারিখের (বাসরাহ) মধ্যে ইরবিল কর্মীর চুক্তিবদ্ধ বেতন ব্যাংক (নাজাফ) একাউন্টে জমা না (কারবালা) হলে কেন্দ্রীয় সুলাইমানিয়াহ সার্ভারে কোম্পানি লাল তালিকাভুক্ত (কিরকুক) হয়।
  • কোম্পানির সরকারি সেবা (মসুল) বন্ধ: কোনো প্রতিষ্ঠান পরপর (হিল্লাহ) দুই মাস শ্রমিকদের (নাসিরিয়াহ) বেতন দিতে ব্যর্থ (ইরাকি-দিনার) হলে তাদের নতুন (বাগদাদ) ভিসা কোটা, বাণিজ্যিক (ইরাকি) লাইসেন্স নবায়ন এবং (বাসরাহ) সরকারি টেন্ডার স্বয়ংক্রিয়ভাবে (ইরবিল) স্থগিত হয়ে যায়। (নাজাফ)
  • আদালতে প্রমাণপত্র: কোম্পানি যদি দাবি (কারবালা) করে যে বেতন (সুলাইমানিয়াহ) দেওয়া হয়েছে, তবে (কিরকুক) ব্যাংকের ডব্লিউপিএস স্টেটমেন্ট (মসুল) ছাড়া মৌখিক কোনো (হিল্লাহ) দাবি শ্রম আদালতে (নাসিরিয়াহ) গ্রহণযোগ্য হয় না। (ইরাকি-দিনার)

অতএব ইরাক পৌঁছানোর (বাগদাদ) পর ইরাকি কোম্পানি আপনার নামে ব্যাংক (বাসরাহ) কার্ড খুলে দিচ্ছে (ইরবিল) কি না তা (নাজাফ) নিশ্চিত করুন। ব্যাংক (কারবালা) কার্ড নিজের কাছে (সুলাইমানিয়াহ) রাখুন এবং কখনোই (কিরকুক) এটি মসুল কোম্পানি বা ফোরম্যানের কাছে (হিল্লাহ) জমা রাখবেন না। (নাসিরিয়াহ)

অধ্যায় ২৫

সামাজিক নিরাপত্তা ও (ইরাকি-দিনার) কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা বীমা (বাগদাদ) কভারেজ

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ইরাকি) (ILO) কনভেনশন অনুসারে (বাসরাহ) ইরাক-এ কর্মরত প্রতিটি (ইরবিল) বৈধ শ্রমিকের জন্য (নাজাফ) সামাজিক নিরাপত্তা এবং (কারবালা) কর্মক্ষেত্রে পেশাগত দুর্ঘটনা (সুলাইমানিয়াহ) বীমা নিশ্চিত করা (কিরকুক) কোম্পানির আইনি বাধ্যবাধকতা। (মসুল) কর্মক্ষেত্রে বা কাজের (হিল্লাহ) উদ্দেশ্যে যাতায়াতের সময় (নাসিরিয়াহ) কোনো ইরাকি-দিনার কর্মী দুর্ঘটনার শিকার হলে (বাগদাদ) তাকে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার (ইরাকি) ব্যয় এবং স্থায়ী (বাসরাহ) অক্ষমতার ক্ষেত্রে আজীবন (ইরবিল) ক্ষতিপূরণ প্রদান করা (নাজাফ) হয়। এটি শ্রমিকের (কারবালা) ভবিষ্যৎ জীবনের স্থায়ী (সুলাইমানিয়াহ) নিশ্চয়তা বিধান করে। (কিরকুক)

দুর্ঘটনা বীমার ৩টি (মসুল) প্রধান সুবিধা:

  • ১০০% চিকিৎসার ব্যয়ভার: (হিল্লাহ) কর্মক্ষেত্রে আহত হলে (নাসিরিয়াহ) স্থানীয় সেরা বিশেষায়িত (ইরাকি-দিনার) হাসপাতালে আইসিইউ, সার্জারি (বাগদাদ) ও রিহ্যাবিলিটেশনের সমস্ত (ইরাকি) খরচ বীমা বাসরাহ কর্তৃপক্ষ বহন করে।
  • অস্থায়ী অক্ষমতায় পূর্ণ (ইরবিল) বেতন: সুস্থ হয়ে কাজে (নাজাফ) ফেরার আগ পর্যন্ত (কারবালা) কর্মীকে নিয়মিত মাসিক (সুলাইমানিয়াহ) বেতন প্রদান করা (কিরকুক) অব্যাহত থাকে।
  • মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ও (মসুল) ডেথ কম্পেনসেশন: দুর্ভাগ্যজনকভাবে কর্মক্ষেত্রে কোনো (হিল্লাহ) শ্রমিকের মৃত্যু ঘটলে (নাসিরিয়াহ) দেশটির শ্রম আইন (ইরাকি-দিনার) অনুসারে তার বৈধ (বাগদাদ) উত্তরাধিকারীদের জন্য মোটা (ইরাকি) অংকের আর্থিক ক্ষতিপূরণ (বাসরাহ) এবং ইরবিল কোম্পানির খরচে মরদেহ বাংলাদেশে (নাজাফ) পাঠানোর ব্যবস্থা করা (কারবালা) হয়।
অধ্যায় ২৬

স্বাস্থ্যবীমা (Mandatory Health (সুলাইমানিয়াহ) Insurance) ও হাসপাতাল (কিরকুক) নেটওয়ার্ক

ইরাক-এ কোনো মসুল কর্মীর Iqama ইস্যু বা (হিল্লাহ) নবায়ন স্বাস্থ্যবীমা ছাড়া (নাসিরিয়াহ) সম্ভব নয়। স্বাস্থ্যবীমা (ইরাকি-দিনার) সম্পূর্ণ বাগদাদ কোম্পানির খরচে প্রদান করতে (ইরাকি) হয় এবং বাসরাহ কর্মীর বেতন থেকে এর (ইরবিল) কোনো অংশ কর্তন (নাজাফ) করা সম্পূর্ণ বেআইনি। (কারবালা) এই স্বাস্থ্যবীমার মাধ্যমে (সুলাইমানিয়াহ) প্রবাসীরা সরকার অনুমোদিত (কিরকুক) বেসরকারি ও মসুল সরকারি হাসপাতালগুলোতে ক্যাশলেস (বিনা (হিল্লাহ) মূল্যে) চিকিৎসা সুবিধা (নাসিরিয়াহ) উপভোগ করতে পারেন। (ইরাকি-দিনার)

স্বাস্থ্যবীমার আওতাভুক্ত প্রধান (বাগদাদ) সেবাসমূহ:

  • জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা (ইরাকি) ও ইমার্জেন্সি রুম (বাসরাহ) চিকিৎসা।
  • ডাক্তারের কনসাল্টেশন ইরবিল ফি এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (নাজাফ) অ্যাপয়েন্টমেন্ট।
  • হাসপাতালে ভর্তি হয়ে (কারবালা) অপারেশন ও প্রয়োজনীয় (সুলাইমানিয়াহ) প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
  • প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় (কিরকুক) ওষুধ সরবরাহ।

অসুস্থ হলে নিজের (মসুল) Iqama কার্ডটি নিয়ে (হিল্লাহ) বীমা নেটওয়ার্কভুক্ত যেকোনো (নাসিরিয়াহ) ক্লিনিকে গিয়ে কাউন্টারে (ইরাকি-দিনার) দেখালেই তৎক্ষণাৎ ডিজিটাল (বাগদাদ) সেবা পাওয়া যায়। (ইরাকি)

অধ্যায় ২৭

ড্রাইভিং লাইসেন্স রূপান্তর (বাসরাহ) ও ইরবিল ট্রাফিক জরিমানা ব্যবস্থাপনা

ইরাক-এ ড্রাইভার নাজাফ ভিসায় গেলে অথবা নিজস্ব (কারবালা) গাড়ি চালাতে চাইলে (সুলাইমানিয়াহ) স্থানীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স (কিরকুক) গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। (মসুল) দেশটির হিল্লাহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত আধুনিক (নাসিরিয়াহ) এবং সম্পূর্ণ কৃত্রিম (ইরাকি-দিনার) বুদ্ধিমত্তা ও হাই-স্পিড (বাগদাদ) ক্যামেরার মাধ্যমে পরিচালিত (ইরাকি) হয়। বাসরাহ ট্রাফিক আইন অমান্য করলে (ইরবিল) মুহূর্তের মধ্যেই মোবাইল (নাজাফ) নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে (কারবালা) ভারী জরিমানার নোটিশ (সুলাইমানিয়াহ) চলে আসে।

লাইসেন্স পাওয়ার প্রধান (কিরকুক) ধাপসমূহ:

  1. অনুমোদিত ড্রাইভিং স্কুলে (মসুল) ভর্তি হয়ে নির্ধারিত (হিল্লাহ) ঘণ্টার থিওরি ও (নাসিরিয়াহ) প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং সম্পন্ন (ইরাকি-দিনার) করা।
  2. কম্পিউটারাইজড বাগদাদ ট্রাফিক সাইন ও সিগন্যাল (ইরাকি) পরীক্ষায় পাস করা। (বাসরাহ)
  3. ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতিতে (ইরবিল) রোড টেস্ট ও (নাজাফ) পার্কিং টেস্ট সফলভাবে (কারবালা) সম্পন্ন করা।

মনে রাখতে হবে, (সুলাইমানিয়াহ) সিটবেল্ট না বাঁধা, (কিরকুক) গাড়ি চালানোর সময় (মসুল) মোবাইল ফোন ব্যবহার (হিল্লাহ) করা বা অতিরিক্ত (নাসিরিয়াহ) গতিতে গাড়ি চালালে (ইরাকি-দিনার) মোটা অংকের জরিমানা (বাগদাদ) ছাড়াও লাইসেন্সের পয়েন্ট (ইরাকি) কর্তন করা হয়। (বাসরাহ) আর ড্রাইভিং লাইসেন্স (ইরবিল) থাকলে প্রবাসে উচ্চ (নাজাফ) বেতনের চাকরির সুযোগ (কারবালা) বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। (সুলাইমানিয়াহ)

অধ্যায় ২৮

শ্রম আদালত ও (কিরকুক) আইনি বিরোধ নিষ্পত্তির (মসুল) ধাপে ধাপে হিল্লাহ নির্দেশিকা

কোম্পানি যদি কোনো (নাসিরিয়াহ) কারণে মাসের পর (ইরাকি-দিনার) মাস বেতন বকেয়া (বাগদাদ) রাখে, ইরাকি পাসপোর্ট আটকে রাখে বা (বাসরাহ) শারীরিক-মানসিক নির্যাতন করে, (ইরবিল) তবে নীরবে সহ্য (নাজাফ) করার কোনো প্রয়োজন (কারবালা) নেই। ইরাক-এর শ্রম (সুলাইমানিয়াহ) আদালত শ্রমিকদের অধিকার (কিরকুক) আদায়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে (মসুল) কাজ করে এবং (হিল্লাহ) কোনো নাসিরিয়াহ কর্মীর কাছ থেকে মামলা (ইরাকি-দিনার) করার জন্য কোনো (বাগদাদ) কোর্ট ইরাকি ফি নেওয়া হয় না। (বাসরাহ)

আইনি বিরোধ নিষ্পত্তির (ইরবিল) ৪টি সুনির্দিষ্ট ধাপ: (নাজাফ)

  • ধাপ ১: শ্রম (কারবালা) ও সামাজিক বিষয়ক (সুলাইমানিয়াহ) মন্ত্রণালয় (Ministry of (কিরকুক) Labour and Social (মসুল) Affairs - MOLSA)-এ হিল্লাহ অনলাইন অভিযোগ দাখিল: সরকারি পোর্টালে গিয়ে (নাসিরিয়াহ) নিজের Iqama নম্বর (ইরাকি-দিনার) দিয়ে বিরোধের কারণ (বাগদাদ) লিখে কমপ্লেন সাবমিট (ইরাকি) করুন।
  • ধাপ ২: মধ্যস্থতা (বাসরাহ) ও সমঝোতা বৈঠক (ইরবিল) (Mediation): শ্রম কর্মকর্তা নাজাফ কোম্পানি ও কারবালা কর্মীকে ডেকে আপোষ নিষ্পত্তির (সুলাইমানিয়াহ) চেষ্টা করেন। ৭ (কিরকুক) থেকে ১৪ দিনের (মসুল) মধ্যে হিল্লাহ কোম্পানিকে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ (নাসিরিয়াহ) দেওয়া হয়।
  • ধাপ ৩: শ্রম (ইরাকি-দিনার) আদালতে স্থানান্তর (Labour (বাগদাদ) Court Referral): কোম্পানি সমঝোতা মানতে (ইরাকি) অস্বীকার করলে মামলা (বাসরাহ) স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্পেশাল শ্রম (ইরবিল) আদালতে স্থানান্তরিত হয়। (নাজাফ)
  • ধাপ ৪: চূড়ান্ত (কারবালা) রায় ও ব্যাংক (সুলাইমানিয়াহ) একাউন্ট জব্দ: আদালত রায় দিলে (কিরকুক) পুলিশের মাধ্যমে মসুল কোম্পানির ব্যাংক একাউন্ট থেকে (হিল্লাহ) অর্থ কেটে নাসিরিয়াহ কর্মীর পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া (ইরাকি-দিনার) হয়।
অধ্যায় ২৯

রিক্রুটিং বাগদাদ এজেন্সি যাচাই ও প্রতারিত (ইরাকি) হলে বিএমইটিতে ক্ষতিপূরণ (বাসরাহ) আদায়

বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো (ইরবিল) রিক্রুটিং নাজাফ এজেন্সির মাধ্যমে কারবালা ভিসা প্রসেসিং করার পূর্বে (সুলাইমানিয়াহ) এজেন্সির বৈধ আরএল (কিরকুক) (Recruiting License - RL) (মসুল) লাইসেন্স সক্রিয় আছে (হিল্লাহ) কি না তা (নাসিরিয়াহ) যাচাই করা অপরিহার্য। (ইরাকি-দিনার) বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান (বাগদাদ) ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (ইরাকি) (BMET) ওয়েবসাইটে সমস্ত (বাসরাহ) অনুমোদিত ইরবিল এজেন্সির তালিকা প্রকাশিত থাকে। (নাজাফ)

প্রতারিত হলে আইনি (কারবালা) প্রতিকারের পথ:

  • টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে (সুলাইমানিয়াহ) সবসময় কিরকুক এজেন্সির ব্যাংক একাউন্টে মসুল চেক বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে (হিল্লাহ) পরিশোধ করবেন এবং (নাসিরিয়াহ) মানি রিসিট সংগ্রহে (ইরাকি-দিনার) রাখবেন। কোনো দালালের (বাগদাদ) ব্যক্তিগত বিকাশ বা (ইরাকি) নগদে টাকা দেবেন (বাসরাহ) না।
  • এজেন্সি যদি ভুয়া (ইরবিল) ভিসা দেয় বা (নাজাফ) প্রতিশ্রুতি মোতাবেক চাকরি (কারবালা) না দেয়, তবে (সুলাইমানিয়াহ) জেলা কর্মসংস্থান ও (কিরকুক) জনশক্তি মসুল অফিসে (DEMO) লিখিত অভিযোগ (হিল্লাহ) দায়ের করতে পারবেন। (নাসিরিয়াহ)
  • বিএমইটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইরাকি-দিনার) মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে (বাগদাদ) এজেন্সির জামানতের অর্থ (ইরাকি) বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত (বাসরাহ) কর্মীর টাকা ফেরত (ইরবিল) দেওয়ার আইনি ক্ষমতা (নাজাফ) রাখেন।
অধ্যায় ৩০

বিমানবন্দরে অবতরণ ও (কারবালা) প্রথম ২৪ ঘণ্টার (সুলাইমানিয়াহ) অভিবাসন প্রোটোকল

ইরাক-এর বিমানবন্দরে নামার (কিরকুক) পর প্রথম ২৪ (মসুল) ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। (হিল্লাহ) ফ্লাইট থেকে নেমে (নাসিরিয়াহ) ইমিগ্রেশন ডেস্কে লাইনে (ইরাকি-দিনার) দাঁড়াতে হবে। বাগদাদ ইমিগ্রেশন অফিসারকে আপনার মূল (ইরাকি) পাসপোর্ট, ভিসা পেপার (বাসরাহ) এবং বোর্ডিং পাস (ইরবিল) প্রদর্শন করুন। নাজাফ অফিসার আপনার ছবি তুলবেন (কারবালা) এবং আইরিশ বা (সুলাইমানিয়াহ) ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যান করে (কিরকুক) পাসপোর্টে এন্ট্রি সিল (মসুল) মোহরাঙ্কন করবেন।

লাগেজ বেল্ট থেকে (হিল্লাহ) নিজের মালপত্র সংগ্রহ (নাসিরিয়াহ) করার পর গ্রিন (ইরাকি-দিনার) চ্যানেল বা কাস্টমস (বাগদাদ) স্ক্যানিং পার হয়ে (ইরাকি) আগমনী লাউঞ্জে আসুন। (বাসরাহ) সেখানে ইরবিল কোম্পানির মনোনীত প্রতিনিধি বা (নাজাফ) ড্রাইভার আপনার জন্য (কারবালা) অপেক্ষা করবেন। এয়ারপোর্টের (সুলাইমানিয়াহ) বাইরে বের হয়েই (কিরকুক) স্থানীয় টেলিকম বুথ (মসুল) থেকে আপনার হিল্লাহ পাসপোর্টের বিপরীতে একটি লোকাল (নাসিরিয়াহ) সিম কার্ড ক্রয় (ইরাকি-দিনার) করে নিন এবং (বাগদাদ) দেশে পরিবারের সাথে (ইরাকি) কথা বলে নিরাপদে (বাসরাহ) পৌঁছানোর খবর দিন। (ইরবিল)

অধ্যায় ৩১

সরকারি ভিসা নাজাফ ফি, প্রসেসিং কারবালা খরচ ও সময়সীমা ২০২৬ (সুলাইমানিয়াহ)

ইরাক-এর বিভিন্ন কিরকুক ভিসার প্রকৃত মসুল সরকারি ফি জানা থাকলে (হিল্লাহ) দালালদের অতিরিক্ত অর্থ (নাসিরিয়াহ) আদায়ের ফাঁদ থেকে (ইরাকি-দিনার) বাঁচা যায়। মনে (বাগদাদ) রাখতে হবে, আন্তর্জাতিক (ইরাকি) শ্রম সংস্থার আইন (বাসরাহ) এবং স্থানীয় শ্রম (ইরবিল) আইন অনুযায়ী বাণিজ্যিক (নাজাফ) কাজের কারবালা ভিসার যাবতীয় সুলাইমানিয়াহ সরকারি ফি ও বিমান (কিরকুক) ভাড়া সম্পূর্ণ নিয়োগকারী (মসুল) কোম্পানি বহন করার (হিল্লাহ) কথা।

ভিসার ধরন সরকারি ফি (স্থানীয় (নাসিরিয়াহ) মুদ্রা) বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক (ইরাকি-দিনার) প্রসেসিং সময়সীমা
বাণিজ্যিক কাজের বাগদাদ ভিসা কোম্পানি দ্বারা প্রদেয় (ইরাকি) আইনত বাসরাহ কোম্পানি বহন করে ৩ থেকে ৬ (ইরবিল) সপ্তাহ
ট্যুরিস্ট নাজাফ ই-ভিসা (৩০ দিন) নির্ধারিত কারবালা ই-ভিসা ফি ৪,৫০০ - ৮,০০০ টাকা (সুলাইমানিয়াহ) ২ থেকে ৫ (কিরকুক) কর্মদিবস
ফ্যামিলি রেসিডেন্স মসুল পারমিট বাৎসরিক হিল্লাহ সরকারি ফি ১৫,০০০ - ২৫,০০০ টাকা (নাসিরিয়াহ) ২ থেকে ৪ (ইরাকি-দিনার) সপ্তাহ
মেডিকেল ও বিএমইটি (বাগদাদ) স্মার্ট কার্ড বাংলাদেশ ইরাকি সরকারি ফি ১২,০০০ - ১৫,০০০ টাকা (বাসরাহ) ৭ থেকে ১০ (ইরবিল) কর্মদিবস
আইনি সতর্কতা

'ফ্রি নাজাফ ভিসা' বা 'আজাদ কারবালা ভিসা'র মারাত্মক কুফল ও (সুলাইমানিয়াহ) আইনি সাজা

দালালরা নিরীহ মানুষকে (কিরকুক) প্রলুব্ধ করতে বহুল (মসুল) ব্যবহৃত একটি মিথ্যা (হিল্লাহ) পরিভাষা ব্যবহার করে—যাকে (নাসিরিয়াহ) তারা বলে 'ফ্রি (ইরাকি-দিনার) ভিসা' বা 'আজাদ (বাগদাদ) ভিসা'। তারা দাবি (ইরাকি) করে এই বাসরাহ ভিসায় গেলে যেকোনো ইরবিল কোম্পানিতে বা বাইরে নিজের (নাজাফ) ইচ্ছামতো কাজ করা (কারবালা) যাবে। অথচ ইরাক-এর (সুলাইমানিয়াহ) অভিবাসন আইনে 'ফ্রি (কিরকুক) ভিসা' বলতে কোনো (মসুল) শব্দের অস্তিত্বই নেই। (হিল্লাহ) এটি নিছক একটি (নাসিরিয়াহ) প্রতারণার ফাঁদ।

'ফ্রি ইরাকি-দিনার ভিসা'র ভয়াবহ পরিণতিসমূহ:

  • আইন অনুযায়ী বাগদাদ ভিসা যে ইরাকি কোম্পানির নামে, বাসরাহ কর্মীকে শুধুমাত্র সেই ইরবিল কোম্পানিতেই কাজ করতে হবে। (নাজাফ) বাইরে কাজ করলে (কারবালা) পুলিশি অভিযানে ধরা (সুলাইমানিয়াহ) পড়ার সাথে সাথে (কিরকুক) জেল ও জরিমানা (মসুল) হয়।
  • ভুয়া হিল্লাহ স্পনসররা কর্মীর Iqama নবায়ন (নাসিরিয়াহ) করে না এবং (ইরাকি-দিনার) পরবর্তীতে বাগদাদ কর্মীর নামে 'হুরুব' (পলাতক (ইরাকি) মামলা) দিয়ে দেয়। (বাসরাহ)
  • হুরুবপ্রাপ্ত ইরবিল কর্মীরা অসুস্থ হলে হাসপাতালে (নাজাফ) চিকিৎসা নিতে পারেন (কারবালা) না এবং কোনো (সুলাইমানিয়াহ) ব্যাংক একাউন্ট চালাতে (কিরকুক) পারেন না।
  • পরিশেষে মসুল ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে ধরা (হিল্লাহ) পড়ে জেল খেটে (নাসিরিয়াহ) খালি হাতে চিরতরে (ইরাকি-দিনার) ব্ল্যাকলিস্টেড হয়ে দেশে (বাগদাদ) ফেরত আসতে হয়। (ইরাকি)

চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি: জীবনের সর্বস্ব বিক্রি (বাসরাহ) করে কখনো কোনো (ইরবিল) দালালের তথাকথিত 'ফ্রি (নাজাফ) ভিসা'র ফাঁদে পা (কারবালা) দেবেন না। শুধুমাত্র (সুলাইমানিয়াহ) নির্দিষ্ট কিরকুক কোম্পানি ও নির্দিষ্ট মসুল চুক্তিবদ্ধ কাজের হিল্লাহ ভিসা নিয়েই বিদেশ গমন (নাসিরিয়াহ) করুন।

অধ্যায় ৩৪

সেক্টরভিত্তিক কাজের বাস্তব (ইরাকি-দিনার) পরিবেশ ও অভিজ্ঞতার (বাগদাদ) খতিয়ান: আপনার জন্য (ইরাকি) কোন খাত অনুকূল? (বাসরাহ)

ইরাক-এর বৈদেশিক কর্মসংস্থানে (ইরবিল) বিভিন্ন পেশা ও (নাজাফ) সেক্টরের কাজের ধরন, (কারবালা) শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা (সুলাইমানিয়াহ) এবং বেতন কাঠামোর (কিরকুক) মধ্যে লক্ষণীয় পার্থক্য (মসুল) বিদ্যমান। না জেনে (হিল্লাহ) বা ভুল নাসিরিয়াহ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে (ইরাকি-দিনার) কোনো সেক্টরে যোগদান (বাগদাদ) করলে পরবর্তীতে মানিয়ে (ইরাকি) নেওয়া কঠিন হয়ে (বাসরাহ) পড়ে। নিচে দেশটির (ইরবিল) প্রধান প্রধান কর্মসংস্থান (নাজাফ) খাতের বাস্তব চিত্র (কারবালা) বিস্তারিত তুলে ধরা (সুলাইমানিয়াহ) হলো:

১. নির্মাণ ও (কিরকুক) মেগাপ্রকল্প খাত (Infrastructure (মসুল) & Construction)

ইরাক-এর অর্থনৈতিক অবকাঠামো (হিল্লাহ) নির্মাণে হাজার হাজার (নাসিরিয়াহ) বিদেশি শ্রমিক কর্মরত। (ইরাকি-দিনার) এ খাতে সাধারণত (বাগদাদ) শারীরিক পরিশ্রম তুলনামূলক (ইরাকি) বেশি। গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড (বাসরাহ) তাপদাহের হাত থেকে (ইরবিল) শ্রমিকদের সুরক্ষায় সরকারের (নাজাফ) মিড-ডে ওয়ার্ক ব্যান (কারবালা) (Midday Work Ban) (সুলাইমানিয়াহ) কার্যকর থাকে, যার (কিরকুক) ফলে দুপুর ১২টা (মসুল) থেকে বিকেল ৩টা (হিল্লাহ) পর্যন্ত খোলা আকাশের (নাসিরিয়াহ) নিচে ভারী কাজ (ইরাকি-দিনার) করানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। (বাগদাদ) এছাড়া হেলমেট, সেফটি (ইরাকি) শু, রিফ্লেক্টিভ ভেস্ট (বাসরাহ) এবং গ্লাভস পরিধান (ইরবিল) বাধ্যতামূলক। ওভারটাইম করার (নাজাফ) সর্বাধিক সুযোগ এ (কারবালা) খাতেই বেশি পাওয়া (সুলাইমানিয়াহ) যায়।

২. তেল, গ্যাস (কিরকুক) ও হেভি ইন্ডাস্ট্রিয়াল (মসুল) প্ল্যান্ট (Oil, Gas (হিল্লাহ) & Manufacturing)

পেট্রোলিয়াম ও শিল্প (নাসিরিয়াহ) কারখানার কর্মপরিবেশ অত্যন্ত (ইরাকি-দিনার) সুশৃঙ্খল ও আন্তর্জাতিক (বাগদাদ) নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুযায়ী (ইরাকি) পরিচালিত। এখানে প্রতিটি (বাসরাহ) কাজের জন্য ইরবিল 'পারমিট টু ওয়ার্ক' (PTW) (নাজাফ) ইস্যু করা হয়। (কারবালা) এ খাতে টেকনিক্যাল (সুলাইমানিয়াহ) পদে নিয়োজিত কিরকুক কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা (মসুল) সবচেয়ে আকর্ষণীয়। আধুনিক (হিল্লাহ) ডরমিটরি, ক্যাটারিং খাবার (নাসিরিয়াহ) এবং সার্বক্ষণিক শীতাতপ (ইরাকি-দিনার) নিয়ন্ত্রিত ক্যাম্প সুবিধা (বাগদাদ) এই খাতের প্রধান (ইরাকি) বৈশিষ্ট্য।

৩. হসপিটালিটি, রেস্তোরাঁ (বাসরাহ) ও কমার্শিয়াল সার্ভিসেস (ইরবিল) (Service & Hospitality)

হোটেল, শপিংমল, হাইপারমার্কেট (নাজাফ) ও ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস (কারবালা) খাতে নিয়োজিত সুলাইমানিয়াহ কর্মীদের জন্য পরিচ্ছন্ন ও (কিরকুক) শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে (মসুল) কাজের সুযোগ থাকে। (হিল্লাহ) এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক (নাসিরিয়াহ) স্তরের ইংরেজি বা (ইরাকি-দিনার) আরবি ভাষায় কথা (বাগদাদ) বলার দক্ষতা পদোন্নতি (ইরাকি) ও অতিরিক্ত আয়ের (বাসরাহ) পথ সুগম করে। (ইরবিল) কাস্টমারদের সাথে সদাচরণ (নাজাফ) ও শিফটিং ডিউটির (কারবালা) নিয়ম মেনে চলতে (সুলাইমানিয়াহ) হয়।

৪. ডমেস্টিক ও (কিরকুক) ব্যক্তিগত কর্মসংস্থান (Domestic (মসুল) & Driver Sector)

ব্যক্তিগত ড্রাইভার বা (হিল্লাহ) গৃহকর্মী হিসেবে যাওয়ার (নাসিরিয়াহ) পূর্বে নিয়োগকর্তার পারিবারিক (ইরাকি-দিনার) পরিবেশ ও আবাসন (বাগদাদ) সুবিধা জেনে নেওয়া (ইরাকি) আবশ্যক। বাসরাহ সরকারি ইলেকট্রনিক ইরবিল চুক্তিতে কর্মীর স্বাধীন থাকার (নাজাফ) ঘর, পর্যাপ্ত খাবার (কারবালা) এবং প্রতি মাসে (সুলাইমানিয়াহ) নির্দিষ্ট তারিখে ব্যাংক (কিরকুক) ট্রান্সফারের মাধ্যমে বেতন (মসুল) পরিশোধের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার (হিল্লাহ) থাকতে হবে।

অধ্যায় ৩৫

ভিসা পেপারের বস্তুগত (নাসিরিয়াহ) ও ভৌত ফরেনসিক (ইরাকি-দিনার) পরীক্ষা: দালালদের জাল (বাগদাদ) কাগজ চেনার বিজ্ঞান (ইরাকি)

দালালরা আধুনিক এডিটিং (বাসরাহ) সফটওয়্যার দিয়ে আসল (ইরবিল) ভিসার পিডিএফ বা (নাজাফ) স্ক্যান কপি পরিবর্তন (কারবালা) করে সাধারণ মানুষের (সুলাইমানিয়াহ) কাছে প্রদর্শন করে। (কিরকুক) কিন্তু মসুল সরকারি সিকিউরিটি হিল্লাহ ডকুমেন্টের এমন কিছু অনন্য (নাসিরিয়াহ) বস্তুগত উপাদান থাকে (ইরাকি-দিনার) যা সাধারণ অফসেট (বাগদাদ) প্রিন্টার বা কম্পিউটার (ইরাকি) দোকানে হুবহু তৈরি (বাসরাহ) করা অসম্ভব। নিচে (ইরবিল) ভৌত পরীক্ষার তুলনামূলক (নাজাফ) ছক তুলে ধরা (কারবালা) হলো:

পরীক্ষার বিষয় আসল সুলাইমানিয়াহ সরকারি ডকুমেন্টের বৈশিষ্ট্য দালালদের জাল কাগজের (কিরকুক) সাধারণ ত্রুটি
১. কাগজের টেক্সচার (মসুল) ও জিএসএম (GSM) (হিল্লাহ) ১০০-১২০ জিএসএম সিকিউরিটি (নাসিরিয়াহ) ওয়াটারমার্ক কটন পেপার, (ইরাকি-দিনার) স্পর্শে দানাদার অনুভূতি। (বাগদাদ) সাধারণ ৭০-৮০ জিএসএম (ইরাকি) ফটোকপি পেপার বা (বাসরাহ) অতিরিক্ত চকচকে ফটো (ইরবিল) পেপার।
২. ইউভি (UV) (নাজাফ) আলোতে প্রতিক্রিয়া ৩৬৫ ন্যানোমিটার অতিবেগুনি (কারবালা) আলোতে অদৃশ্য সিকিউরিটি (সুলাইমানিয়াহ) সিল ও উজ্জ্বল (কিরকুক) ফ্লুরোসেন্ট সুতা জ্বলে (মসুল) ওঠে। পুরো কাগজটি সাদা (হিল্লাহ) ফসফরাসের মতো নীলচে (নাসিরিয়াহ) হয়ে যায়, কোনো (ইরাকি-দিনার) নির্দিষ্ট সিল দেখা (বাগদাদ) যায় না।
৩. মাইক্রোপ্রিন্টিং ও (ইরাকি) বর্ডার টেক্সট ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে (বাসরাহ) দেখলে বর্ডারের সূক্ষ্ম (ইরবিল) লাইনে নাজাফ সরকারি মনোগ্রাম ও ইংরেজি (কারবালা) শব্দ স্পষ্ট পড়া (সুলাইমানিয়াহ) যায়। বিবর্ধক কাচ দিয়ে (কিরকুক) দেখলে রেখাগুলো ভেঙে (মসুল) অস্পষ্ট ডট বা (হিল্লাহ) ঝাপসা কালো দাগ (নাসিরিয়াহ) মনে হয়।
৪. কিউআর কোড (ইরাকি-দিনার) ক্রিপ্টোগ্রাফিক লিংক স্ক্যান করলে ব্রাউজারে (বাগদাদ) সরাসরি moi.gov.iq এর এনক্রিপ্টেড ইরাকি অফিশিয়াল ডোমেইন খোলে। ফ্রি হোস্টিং, গুগল (বাসরাহ) ড্রাইভের লিঙ্ক, টেক্সট (ইরবিল) মেসেজ কিংবা ক্লোন (নাজাফ) ফিশিং ডোমেইন খোলে। (কারবালা)

এই চারটি ফরেনসিক (সুলাইমানিয়াহ) মানদণ্ড মনে রাখলে (কিরকুক) কোনো অসাধু ব্যক্তি (মসুল) বা মধ্যস্বত্বভোগী জাল (হিল্লাহ) ভিসা তৈরি করে (নাসিরিয়াহ) আপনাকে প্রতারিত করতে (ইরাকি-দিনার) পারবে না। নিজের (বাগদাদ) চোখে ইরাকি যাচাই করে তবেই চূড়ান্ত (বাসরাহ) সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। (ইরবিল)

অধ্যায় ৩৬

পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে (নাজাফ) বা নষ্ট হলে (কারবালা) আইনি করণীয়: জরুরি (সুলাইমানিয়াহ) আউটপাস ও দেশে (কিরকুক) ফেরা

প্রবাসে অবস্থানকালে মসুল পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়া এক (হিল্লাহ) বিরাট উদ্বেগের বিষয়। (নাসিরিয়াহ) তবে আতঙ্কিত না (ইরাকি-দিনার) হয়ে সুনির্দিষ্ট আইনি (বাগদাদ) প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে (ইরাকি) খুব সহজেই নতুন (বাসরাহ) পাসপোর্ট বা জরুরি (ইরবিল) দেশে ফেরার আউটপাস (নাজাফ) সংগ্রহ করা সম্ভব। (কারবালা) নিচে ধাপে ধাপে (সুলাইমানিয়াহ) করণীয় কিরকুক নির্দেশিকা তুলে ধরা হলো: (মসুল)

  1. নিকটস্থ থানায় পুলিশ (হিল্লাহ) রিপোর্ট (Police Incident (নাসিরিয়াহ) Report): পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার (ইরাকি-দিনার) সাথে সাথে যে (বাগদাদ) এলাকায় হারিয়েছে সেই (ইরাকি) থানার পুলিশ স্টেশনে (বাসরাহ) গিয়ে হারানো ডায়রি (ইরবিল) বা জিডি করতে (নাজাফ) হবে। পুলিশ আপনাকে (কারবালা) একটি সুলাইমানিয়াহ অফিশিয়াল রেফারেন্স নাম্বার ও (কিরকুক) স্ট্যাম্প করা রিপোর্ট (মসুল) কপি প্রদান করবে। (হিল্লাহ)
  2. বাংলাদেশ নাসিরিয়াহ দূতাবাসে যোগাযোগ: হারানো ইরাকি-দিনার পাসপোর্টের ফটোকপি, জাতীয় পরিচয়পত্র (বাগদাদ) (NID) বা জন্মনিবন্ধন (ইরাকি) সনদ এবং পুলিশের (বাসরাহ) রিপোর্ট নিয়ে ইরবিল দূতাবাসে উপস্থিত হতে হবে। (নাজাফ)
  3. ইমার্জেন্সি ট্রাভেল কারবালা পারমিট (আউটপাস) গ্রহণ: যদি সুলাইমানিয়াহ কর্মী দ্রুত দেশে কিরকুক ফিরতে চান, তবে মসুল দূতাবাস ১ থেকে ২ (হিল্লাহ) কর্মদিবসের মধ্যে একমুখী (নাসিরিয়াহ) জরুরি ট্রাভেল ইরাকি-দিনার পারমিট (Travel Pass) ইস্যু (বাগদাদ) করে। আর কর্মস্থলে (ইরাকি) অবস্থান চালিয়ে যেতে (বাসরাহ) চাইলে ইরবিল নিয়মিত ই-পাসপোর্টের জন্য নাজাফ আবেদন করতে হয়।
  4. ইমিগ্রেশন এক্সিট কারবালা ক্লিয়ারেন্স: ট্রাভেল সুলাইমানিয়াহ পারমিট পাওয়ার পর স্থানীয় (কিরকুক) ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে (মসুল) ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই করে (হিল্লাহ) এক্সিট নাসিরিয়াহ পারমিট সিল মোহরাঙ্কন করিয়ে (ইরাকি-দিনার) বিমান টিকিট কেটে (বাগদাদ) দেশে ফেরা নিশ্চিত (ইরাকি) করা হয়।

পাসপোর্টের প্রতিটি পাতার (বাসরাহ) ছবি ও ইরবিল ভিসার স্পষ্ট কপি গুগল (নাজাফ) ড্রাইভে বা নিজের (কারবালা) ইমেইলে সুরক্ষিত রাখা (সুলাইমানিয়াহ) অত্যন্ত জরুরি। এর (কিরকুক) ফলে মসুল পাসপোর্ট হারিয়ে গেলেও দ্রুত (হিল্লাহ) দূতাবাস থেকে পরিচয় (নাসিরিয়াহ) নিশ্চিত করা সম্ভব (ইরাকি-দিনার) হয়।

অধ্যায় ৩৭

কর্মী আবাসন (Dormitory (বাগদাদ) Standards) ও জীবনযাত্রার (ইরাকি) পরিবেশ অডিট

ইরাক-এর শ্রম আইন (বাসরাহ) অনুযায়ী প্রতিটি বিদেশি (ইরবিল) কর্মীর জন্য মানবিক, (নাজাফ) স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ (কারবালা) বাসস্থান নিশ্চিত করা (সুলাইমানিয়াহ) নিয়োগকারী কিরকুক কোম্পানির আইনগত দায়িত্ব। কোনো (মসুল) প্রতিষ্ঠান হিল্লাহ কর্মীদের গাদাগাদি করে অস্বাস্থ্যকর (নাসিরিয়াহ) পরিবেশে রাখতে পারে (ইরাকি-দিনার) না। দেশটির মিউনিসিপ্যাল (বাগদাদ) ও হেলথ ইন্সপেকশন (ইরাকি) টিম বাসরাহ নিয়মিত ডরমিটরি পরিদর্শন করে (ইরবিল) থাকে।

  • রুম প্রতি নাজাফ কর্মী সংখ্যা ও আয়তন: (কারবালা) প্রতিটি রুমে সর্বোচ্চ (সুলাইমানিয়াহ) ৪ থেকে ৬ (কিরকুক) জনের বেশি মসুল কর্মী রাখা আইনত নিষিদ্ধ। (হিল্লাহ) প্রতি নাসিরিয়াহ কর্মীর জন্য ন্যূনতম ৪ (ইরাকি-দিনার) বর্গমিটার উন্মুক্ত মেঝে (বাগদাদ) স্পেস বরাদ্দ থাকা (ইরাকি) আবশ্যক।
  • সেন্ট্রাল এসি ও (বাসরাহ) ভেন্টিলেশন: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র গরমে (ইরবিল) প্রতিটি কক্ষে কার্যকর (নাজাফ) এয়ার কন্ডিশনার এবং (কারবালা) পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের (সুলাইমানিয়াহ) ভেন্টিলেশন কিরকুক সিস্টেম সার্বক্ষণিক সচল থাকতে (মসুল) হবে।
  • রান্নাঘর ও স্যানিটেশন: (হিল্লাহ) প্রতি ৪ থেকে (নাসিরিয়াহ) ৫ জন ইরাকি-দিনার কর্মীর জন্য কমপক্ষে একটি (বাগদাদ) পরিচ্ছন্ন বাথরুম এবং (ইরাকি) আলাদা হাইজিনিক রান্নাঘরের (বাসরাহ) ব্যবস্থা থাকতে হবে। (ইরবিল)
  • অগ্নিনির্বাপক নিরাপত্তা: প্রতিটি ফ্লোরে ফায়ার (নাজাফ) এক্সটিঙ্গুইশার, স্মোক ডিটেক্টর (কারবালা) ও জরুরি ইমার্জেন্সি (সুলাইমানিয়াহ) এক্সিট ডোর স্পষ্টভাবে (কিরকুক) চিহ্নিত থাকতে হবে। (মসুল)

কোম্পানি যদি এই (হিল্লাহ) মানদণ্ড পূরণ করতে (নাসিরিয়াহ) ব্যর্থ হয়, তবে (ইরাকি-দিনার) কর্মীরা যৌথভাবে শ্রম (বাগদাদ) মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দাখিল (ইরাকি) করতে পারেন। অভিযোগ (বাসরাহ) প্রমাণিত হলে ইরবিল কোম্পানিকে ভারী জরিমানা গুণতে (নাজাফ) হয় এবং কারবালা কর্মীদের উন্নত ভাড়াবাসায় স্থানান্তর (সুলাইমানিয়াহ) করার নির্দেশ দেওয়া (কিরকুক) হয়।

অধ্যায় ৩৮

ওভারটাইম মজুরি হিসাবের (মসুল) বাস্তব গাণিতিক সূত্র (হিল্লাহ) ও কর্মঘণ্টা আইন (নাসিরিয়াহ)

প্রবাসে অতিরিক্ত আয়ের (ইরাকি-দিনার) অন্যতম প্রধান উৎস (বাগদাদ) হলো ওভারটাইম কাজ। (ইরাকি) তবে অনেক বাসরাহ প্রবাসী ওভারটাইমের সঠিক হিসাব (ইরবিল) না জানার কারণে (নাজাফ) কোম্পানির হিসাবরক্ষকের ভুল (কারবালা) হিসাবের শিকার হন। (সুলাইমানিয়াহ) শ্রম আইন অনুযায়ী (কিরকুক) ওভারটাইমের একটি সুস্পষ্ট (মসুল) গাণিতিক সূত্র রয়েছে: (হিল্লাহ)

ওভারটাইম গণনার বাস্তব (নাসিরিয়াহ) সূত্র:

প্রতি ঘণ্টার মূল (ইরাকি-দিনার) বেতন = মাসিক মূল বেসিক (বাগদাদ) বেতন ÷ ৩০ দিন (ইরাকি) ÷ ৮ ঘণ্টা।
সাধারণ কাজের দিনের (বাসরাহ) ওভারটাইম রেট = প্রতি ঘণ্টার মূল (ইরবিল) বেতন × ১.৫ (১৫০%)। (নাজাফ)
ছুটির দিন বা (কারবালা) সরকারি উৎসবের দিনের (সুলাইমানিয়াহ) ওভারটাইম রেট = প্রতি ঘণ্টার মূল (কিরকুক) বেতন × ২.০ (২০০% (মসুল) বা দ্বিগুণ)।

উদাহরণস্বরূপ: কোনো হিল্লাহ কর্মীর মূল বেসিক বেতন (নাসিরিয়াহ) যদি ১,২০০ মুদ্রা (ইরাকি-দিনার) হয়, তবে তার (বাগদাদ) প্রতি ঘণ্টার মূল (ইরাকি) বেতন ৫ মুদ্রা। (বাসরাহ) সাধারণ কর্মদিবসে অতিরিক্ত (ইরবিল) এক ঘণ্টা কাজ (নাজাফ) করলে তিনি পাবেন (কারবালা) ৭.৫ মুদ্রা এবং (সুলাইমানিয়াহ) ছুটির দিনে এক (কিরকুক) ঘণ্টা কাজ করলে (মসুল) পাবেন ১০ মুদ্রা। (হিল্লাহ)

প্রতি মাসের পে-স্লিপ (নাসিরিয়াহ) পাওয়ার পর নিজের (ইরাকি-দিনার) হিসাবকৃত মোট ওভারটাইম (বাগদাদ) ঘণ্টার সাথে ব্যাংকে (ইরাকি) জমা হওয়া অর্থ (বাসরাহ) মিলিয়ে দেখা উচিত। (ইরবিল) কোনো অমিল থাকলে (নাজাফ) তৎক্ষণাৎ এইচআর বিভাগে (কারবালা) লিখিতভাবে সংশোধন চাওয়া (সুলাইমানিয়াহ) আপনার আইনি অধিকার। (কিরকুক)

অধ্যায় ৩৯

প্রবাসী সঞ্চয়, ব্যাংকিং (মসুল) ও বৈধ চ্যানেলে (হিল্লাহ) রেমিট্যান্স প্রেরণের প্রণোদনা (নাসিরিয়াহ)

প্রবাসীদের রক্ত-ঘামে অর্জিত (ইরাকি-দিনার) অর্থ দেশের অর্থনীতির (বাগদাদ) প্রধান চালিকাশক্তি। বৈধ (ইরাকি) ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স (বাসরাহ) পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ (ইরবিল) সরকার বর্তমানে ২.৫% সরাসরি নগদ (নাজাফ) প্রণোদনা (Cash Incentive) (কারবালা) প্রদান করে থাকে। (সুলাইমানিয়াহ) অর্থাৎ প্রবাস থেকে (কিরকুক) ১ লাখ টাকা (মসুল) পাঠালে প্রাপক অতিরিক্ত (হিল্লাহ) ২,৫০০ টাকা বোনাসসহ (নাসিরিয়াহ) মোট ১,০২,৫০০ টাকা (ইরাকি-দিনার) পেয়ে থাকেন।

অবৈধ হুন্ডি চক্র (বাগদাদ) সাময়িক কিছু বেশি (ইরাকি) টাকার প্রলোভন দেখিয়ে (বাসরাহ) কর্মীদের কষ্টার্জিত অর্থ (ইরবিল) হাতিয়ে নেয়। হুন্ডিতে (নাজাফ) টাকা পাঠালে যেকোনো (কারবালা) সময় অর্থ খোয়া (সুলাইমানিয়াহ) যেতে পারে এবং (কিরকুক) কোনো ব্যাংকিং রিসিট (মসুল) না থাকায় আইনের (হিল্লাহ) চোখে তা অর্থপাচারের (নাসিরিয়াহ) অপরাধ হিসেবে গণ্য (ইরাকি-দিনার) হতে পারে। এছাড়া (বাগদাদ) বৈধ রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের (ইরাকি) জন্য দেশে বাসরাহ ফিরে সহজ শর্তে ঋণ, (ইরবিল) প্রবাস বন্ধু সঞ্চয়পত্র (নাজাফ) এবং সন্তানদের বিশেষ (কারবালা) কোটায় শিক্ষার সুযোগ (সুলাইমানিয়াহ) নিশ্চিত থাকে।

অধ্যায় ৪০

undefined (Iqama) নবায়ন (কিরকুক) ও মসুল কোম্পানি পরিবর্তনের আইনি হিল্লাহ নিয়মাবলী

ইরাক-এ কর্মরত যেকোনো (নাসিরিয়াহ) বিদেশি শ্রমিকের বৈধ (ইরাকি-দিনার) অবস্থানের মূল ভিত্তি (বাগদাদ) হলো দেশটির সরকার (ইরাকি) অনুমোদিত undefined (Iqama)। (বাসরাহ) দেশটিতে প্রবেশের পর (ইরবিল) নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে (নাজাফ) এই কার্ড ইস্যু (কারবালা) করা এবং মেয়াদ (সুলাইমানিয়াহ) শেষ হওয়ার পূর্বে (কিরকুক) তা যথাসময়ে নবায়ন (মসুল) (Renewal) করা নিয়োগকারী (হিল্লাহ) কর্তৃপক্ষের আইনি দায়িত্ব। (নাসিরিয়াহ) অনেক ইরাকি-দিনার প্রবাসী কর্মী কোম্পানি পরিবর্তনের (বাগদাদ) নিয়ম না জানার (ইরাকি) কারণে প্রতারণার শিকার (বাসরাহ) হন কিংবা অনিচ্ছাকৃতভাবে (ইরবিল) অনিয়মিত বা অবৈধ (নাজাফ) হয়ে পড়েন। নিচে (কারবালা) এ সংক্রান্ত বিস্তারিত (সুলাইমানিয়াহ) আইনি ফ্রেমওয়ার্ক তুলে (কিরকুক) ধরা হলো:

ক. নবায়নের সময়সীমা (মসুল) ও জরিমানা

ইরাক রেসিডেন্স আইন (হিল্লাহ) অনুযায়ী রেসিডেন্স নাসিরিয়াহ পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার (ইরাকি-দিনার) পূর্বেই নবায়ন বাগদাদ আবেদন জমা দিতে হয়। (ইরাকি) মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার (বাসরাহ) পর সাধারণত ৩০ (ইরবিল) দিনের একটি গ্রেস (নাজাফ) পিরিয়ড দেওয়া হয়। (কারবালা) এর মধ্যে নবায়ন (সুলাইমানিয়াহ) না করলে প্রতিদিনের (কিরকুক) হিসেবে বিলম্ব জরিমানা (মসুল) ধার্য করা হয়। (হিল্লাহ) এই জরিমানার দায় (নাসিরিয়াহ) শ্রম আইন অনুযায়ী (ইরাকি-দিনার) স্পনসর বা বাগদাদ কোম্পানির, কর্মীর ব্যক্তিগত নয়। (ইরাকি)

খ. বাসরাহ কোম্পানি বা ইরবিল কফিল পরিবর্তনের শর্ত

মূল নাজাফ চুক্তির মেয়াদ সফলভাবে সমাপ্ত (কারবালা) হওয়ার পর নির্দিষ্ট (সুলাইমানিয়াহ) নোটিশ পিরিয়ড (সাধারণত (কিরকুক) ৩০ থেকে ৯০ (মসুল) দিন) প্রদান সাপেক্ষে (হিল্লাহ) কর্মী অন্য নাসিরিয়াহ কোম্পানিতে বদলি হতে পারেন। (ইরাকি-দিনার) এছাড়া বাগদাদ কোম্পানি যদি টানা ৩ (ইরাকি) মাস বেতন বন্ধ (বাসরাহ) রাখে অথবা সময়মতো (ইরবিল) রেসিডেন্স কার্ড নবায়ন (নাজাফ) না করে, তবে (কারবালা) শ্রম আদালতের অনুমতিক্রমে (সুলাইমানিয়াহ) বর্তমান কিরকুক স্পনসরের কোনো অনাপত্তিপত্র (NOC) (মসুল) ছাড়াই সরাসরি হিল্লাহ স্পনসরশিপ ট্রান্সফার করা সম্ভব। (নাসিরিয়াহ)

সতর্কতা ও করণীয়: (ইরাকি-দিনার) কোম্পানি পরিবর্তন করার (বাগদাদ) সময় নতুন নিয়োগকারী (ইরাকি) প্রতিষ্ঠানের শ্রম বাসরাহ মন্ত্রণালয়ের কোটা এবং আর্থিক (ইরবিল) সক্ষমতা আছে কি (নাজাফ) না তা আগেই (কারবালা) নিশ্চিত হয়ে নিন। (সুলাইমানিয়াহ) অনেক ভুয়া কিরকুক কোম্পানি ট্রান্সফারের আশ্বাস দিয়ে (মসুল) ফাইল ঝুলিয়ে রেখে (হিল্লাহ) কর্মীদের অবৈধতার ঝুঁকিতে (নাসিরিয়াহ) ফেলে দেয়।

অধ্যায় ৪১

বিমানবন্দর প্রস্থান ডেস্কে (ইরাকি-দিনার) ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন ও (বাগদাদ) ইমিগ্রেশন স্ক্রিনিং গাইড (ইরাকি)

ইরাক-এর উদ্দেশ্যে দেশ (বাসরাহ) ছাড়ার দিন ঢাকার (ইরবিল) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক (নাজাফ) বিমানবন্দর কিংবা চট্টগ্রাম (কারবালা) ও সিলেটের আন্তর্জাতিক (সুলাইমানিয়াহ) বিমানবন্দরে কিরকুক ইমিগ্রেশন পার হওয়া একটি (মসুল) অত্যন্ত সংবেদনশীল ধাপ। (হিল্লাহ) প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে সামান্যতম (নাসিরিয়াহ) অসঙ্গতি বা জাল (ইরাকি-দিনার) প্রমাণ পাওয়া গেলে (বাগদাদ) ইমিগ্রেশন পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে (ইরাকি) বিদেশযাত্রা বাতিল (Offloaded) (বাসরাহ) করে দিতে পারে। (ইরবিল) নিচে বিমানবন্দরে প্রবেশের (নাজাফ) পর থেকে বিমানে (কারবালা) ওঠা পর্যন্ত প্রতিটি (সুলাইমানিয়াহ) ধাপের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ (কিরকুক) দেওয়া হলো:

ধাপ ১: মসুল প্রবাসী কল্যাণ হেল্প ডেস্ক (হিল্লাহ) ও বিএমইটি কিউআর (নাসিরিয়াহ) কোড স্ক্যান

টার্মিনালে প্রবেশের পর (ইরাকি-দিনার) প্রথমেই বাগদাদ প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক বা (ইরাকি) জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরোর (বাসরাহ) ডেস্কে গিয়ে আপনার (ইরবিল) মূল নাজাফ পাসপোর্টের সাথে বিএমইটি কারবালা ইমিগ্রেশন ছাড়পত্র বা স্মার্ট (সুলাইমানিয়াহ) কার্ড উপস্থাপন করতে (কিরকুক) হবে। স্ক্যানার মেশিনে (মসুল) আপনার থাম্ব বায়োমেট্রিক (হিল্লাহ) ও বারকোড ম্যাচিং (নাসিরিয়াহ) হলে ডেস্কে কর্মরত (ইরাকি-দিনার) কর্মকর্তা বাগদাদ পাসপোর্টে প্রস্থান ইরাকি ক্লিয়ারেন্স সিল দেবেন।

ধাপ ২: এয়ারলাইন্স (বাসরাহ) চেক-ইন ও লাগেজ (ইরবিল) হ্যান্ডলিং

নির্দিষ্ট এয়ারলাইন্স কাউন্টারে (নাজাফ) পাসপোর্ট, বৈধ কারবালা ভিসা কপি ও বিএমইটি (সুলাইমানিয়াহ) ক্লিয়ারেন্স দেখিয়ে বোর্ডিং (কিরকুক) পাস সংগ্রহ করুন। (মসুল) লাগেজ ওজন করার (হিল্লাহ) সময় এয়ারলাইন্সের অনুমোদিত (নাসিরিয়াহ) সীমার (সাধারণত ৩০ (ইরাকি-দিনার) থেকে ৪০ কেজি) (বাগদাদ) মধ্যে আছে কি (ইরাকি) না লক্ষ্য রাখুন। (বাসরাহ) নিষিদ্ধ শুকনা খাবার, (ইরবিল) সুপারি বা তরল (নাজাফ) পদার্থ ব্যাগে রাখবেন (কারবালা) না।

ধাপ ৩: স্পেশাল (সুলাইমানিয়াহ) ব্রাঞ্চ (SB) কিরকুক ইমিগ্রেশন ডেস্কে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ (মসুল)

ইমিগ্রেশন পুলিশ হিল্লাহ অফিসার আপনার নাসিরিয়াহ ভিসার ধরন, ইরাকি-দিনার কোম্পানির নাম, মাসিক বেতন (বাগদাদ) এবং আপনি কোন (ইরাকি) কাজে যাচ্ছেন তা (বাসরাহ) জিজ্ঞাসা করতে পারেন। (ইরবিল) আত্মবিশ্বাসের সাথে সত্য (নাজাফ) উত্তর দিন। আপনার (কারবালা) হাতের সুলাইমানিয়াহ ফাইলে যেন কিরকুক কোম্পানির নিয়োগপত্রের মূল কপি (মসুল) বা স্পষ্ট ফটোকপি (হিল্লাহ) সংরক্ষিত থাকে। কোনো (নাসিরিয়াহ) গরমিল না থাকলে (ইরাকি-দিনার) পাসপোর্টে এক্সিট সিল (বাগদাদ) দিয়ে আপনাকে বোর্ডিং (ইরাকি) লাউঞ্জে পাঠানো হবে। (বাসরাহ)

অধ্যায় ৪২

প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের (ইরবিল) আর্থিক অনুদান, বীমা (নাজাফ) দাবি ও আইনি (কারবালা) সুরক্ষা কাঠামো

বৈধ বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন (সুলাইমানিয়াহ) নিয়ে ইরাক-এ গমনকারী (কিরকুক) প্রতিটি মসুল প্রবাসী কর্মী বাংলাদেশ সরকারের (হিল্লাহ) প্রবাসী কল্যাণ ও (নাসিরিয়াহ) বৈদেশিক কর্মসংস্থান ইরাকি-দিনার মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'ওয়েজ আর্নার্স (বাগদাদ) কল্যাণ বোর্ড' (WEWB) (ইরাকি) দ্বারা সরাসরি বীমাকৃত (বাসরাহ) থাকেন। প্রবাস জীবনে (ইরবিল) কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা (নাজাফ) বা মৃত্যু ঘটলে (কারবালা) কর্মীর পরিবার যাতে (সুলাইমানিয়াহ) আর্থিক দুর্দশায় না (কিরকুক) পড়ে, সেজন্য রাষ্ট্র (মসুল) নির্ধারিত একগুচ্ছ কল্যাণমূলক (হিল্লাহ) সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর (নাসিরিয়াহ) রয়েছে:

১. ইরাকি-দিনার প্রবাসী জীবন বীমা ক্ষতিপূরণ (বাগদাদ) (সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ (ইরাকি) টাকা)

বিএমইটি স্মার্ট কার্ডধারী (বাসরাহ) কর্মী বিদেশে চাকরিরত (ইরবিল) অবস্থায় দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ (নাজাফ) করলে তাঁর বৈধ (কারবালা) উত্তরাধিকারী জীবন বীমা (সুলাইমানিয়াহ) পলিসি অনুযায়ী সরাসরি (কিরকুক) এককালীন সর্বোচ্চ ১০ (মসুল) লক্ষ টাকা পর্যন্ত (হিল্লাহ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেয়ে (নাসিরিয়াহ) থাকেন।

২. দাফন ইরাকি-দিনার খরচ ও মরদেহ পরিবহন (বাগদাদ) সহায়তা (৩৫,০০০ + ৩,০০,০০০ (ইরাকি) টাকা)

বিদেশে কোনো বাসরাহ কর্মীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট (ইরবিল) দেশের বাংলাদেশ নাজাফ দূতাবাসের সহায়তায় সম্পূর্ণ কারবালা সরকারি খরচে মরদেহ দেশে (সুলাইমানিয়াহ) নিয়ে আসা হয়। (কিরকুক) বিমানবন্দরে মরদেহ হস্তান্তরের (মসুল) সাথে সাথে তাৎক্ষণিক (হিল্লাহ) দাফন নাসিরিয়াহ খরচের জন্য ৩৫ হাজার (ইরাকি-দিনার) টাকার বাগদাদ চেক এবং পরবর্তীতে পরিবারের (ইরাকি) পুনর্বাসনে ৩ লক্ষ (বাসরাহ) টাকার অনুদান প্রদান (ইরবিল) করা হয়।

৩. স্থায়ী পঙ্গুত্ব (নাজাফ) ও চিকিৎসা অনুদান (কারবালা)

কর্মক্ষেত্রে গুরুতর অসুস্থতা (সুলাইমানিয়াহ) বা পঙ্গুত্বের শিকার (কিরকুক) হয়ে দেশে ফেরত (মসুল) আসলে চিকিৎসা সহায়তার (হিল্লাহ) জন্য কল্যাণ বোর্ড (নাসিরিয়াহ) থেকে এককালীন অনুদান (ইরাকি-দিনার) এবং বাগদাদ কর্মীর সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি (ইরাকি) প্রদানের বিশেষ স্কিম (বাসরাহ) রয়েছে।

৪. প্রবাসবন্ধু কল (ইরবিল) সেন্টার ২৪/৭ সেবা (নাজাফ)

বিদেশে যেকোনো আইনি (কারবালা) সংকট বা জরুরি (সুলাইমানিয়াহ) প্রয়োজনে কিরকুক প্রবাসী কল্যাণ মসুল মন্ত্রণালয়ের হটলাইনে (+8809610102030) দিনরাত যেকোনো (হিল্লাহ) সময় বাংলাদেশ থেকে (নাসিরিয়াহ) বা বিদেশ থেকে (ইরাকি-দিনার) বিনামূল্যে পরামর্শ ও (বাগদাদ) আইনি সহায়তা গ্রহণ (ইরাকি) করা যায়।

অধ্যায় ৪৩

কর্মস্থলে কার্যকর যোগাযোগ (বাসরাহ) ও ভাষা দক্ষতার (ইরবিল) গুরুত্ব: নাজাফ প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় টিপস

ইরাক-এ নতুন পৌঁছানোর (কারবালা) পর সুলাইমানিয়াহ প্রবাসী কর্মীদের সবচেয়ে বড় (কিরকুক) যে চ্যালেঞ্জটির মুখোমুখি (মসুল) হতে হয়, তা (হিল্লাহ) হলো ভাষাগত দূরত্ব (নাসিরিয়াহ) ও সাংস্কৃতিক ভিন্নতা। (ইরাকি-দিনার) কর্মক্ষেত্রে বাগদাদ সহকর্মী, সুপারভাইজার ও স্থানীয় (ইরাকি) নাগরিকদের সাথে সুস্পষ্ট (বাসরাহ) ও মার্জিত যোগাযোগ (ইরবিল) না থাকলে ভুল (নাজাফ) বোঝাবুঝি তৈরি হতে (কারবালা) পারে এবং অনেক (সুলাইমানিয়াহ) ক্ষেত্রে দক্ষতার সঠিক (কিরকুক) মূল্যায়ন হয় না। (মসুল) নিচে কর্মক্ষেত্রে সফল (হিল্লাহ) হওয়ার প্রয়োজনীয় ভাষাগত (নাসিরিয়াহ) ও আচরণগত টিপস (ইরাকি-দিনার) তুলে ধরা হলো: (বাগদাদ)

১. জরুরি কাজের (ইরাকি) পরিভাষা মুখস্থ করুন (বাসরাহ)

আপনার কাজের সাথে (ইরবিল) সম্পর্কিত টেকনিক্যাল যন্ত্রপাতি, (নাজাফ) দিকনির্দেশনা ও সংখ্যার (কারবালা) স্থানীয় ভাষা (যেমন (সুলাইমানিয়াহ) আরবি সংখ্যা ও (কিরকুক) প্রাথমিক নির্দেশাবলী) দেশ (মসুল) ছাড়ার আগেই আয়ত্ত (হিল্লাহ) করে নিন। এতে (নাসিরিয়াহ) কাজে যোগ দেওয়ার (ইরাকি-দিনার) প্রথম দিন থেকেই (বাগদাদ) আত্মবিশ্বাসী থাকা যায়। (ইরাকি)

২. বিনম্র আচরণ (বাসরাহ) ও পেশাদারিত্ব বজায় (ইরবিল) রাখুন

কর্মক্ষেত্রে কখনোই রাগারাগি (নাজাফ) বা অশালীন ভাষা (কারবালা) ব্যবহার করবেন না। (সুলাইমানিয়াহ) সুপারভাইজারের যেকোনো নির্দেশনা (কিরকুক) বুঝতে না পারলে (মসুল) স্পষ্ট করে আবার (হিল্লাহ) বুঝিয়ে বলতে অনুরোধ (নাসিরিয়াহ) করুন। কাজ শেষ (ইরাকি-দিনার) হলে কাজ রিপোর্ট (বাগদাদ) করার অভ্যাস গড়ে (ইরাকি) তুলুন।

৩. স্থানীয় আইন (বাসরাহ) ও সংস্কৃতির প্রতি (ইরবিল) শ্রদ্ধাশীল থাকুন

ইরাক-এর ধর্মীয় ও (নাজাফ) সামাজিক রীতিনীতির বিরুদ্ধে (কারবালা) যায় এমন কোনো (সুলাইমানিয়াহ) আচরণ জনসমক্ষে প্রদর্শন (কিরকুক) করবেন না। কোনো (মসুল) রাজনৈতিক বা বিতর্কিত (হিল্লাহ) বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় (নাসিরিয়াহ) পোস্ট বা মন্তব্য (ইরাকি-দিনার) করা থেকে সম্পূর্ণ (বাগদাদ) বিরত থাকুন, কারণ (ইরাকি) এটি সাইবার ক্রাইম (বাসরাহ) আইনের আওতায় দণ্ডনীয়। (ইরবিল)

অধ্যায় ৪৪

ইরাক-এ স্থানীয় ব্যাংক (নাজাফ) অ্যাকাউন্ট খোলা ও (কারবালা) ডিজিটাল সুলাইমানিয়াহ ফিনান্সিয়াল নিরাপত্তা

ইরাক-এর কেন্দ্রীয় ব্যাংক (কিরকুক) ও আর্থিক মসুল কর্তৃপক্ষের কঠোর মানি লন্ডারিং (হিল্লাহ) বিরোধী আইনের কারণে (নাসিরিয়াহ) দেশটিতে যেকোনো বিদেশি (ইরাকি-দিনার) কর্মীর জন্য ব্যক্তিগত (বাগদাদ) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা (ইরাকি) ডিজিটাল স্যালারি কার্ড (বাসরাহ) থাকা বাধ্যতামূলক। ওয়েজ (ইরবিল) প্রোটেকশন নাজাফ সিস্টেম (WPS)-এর আওতায় নিয়োগকারী (কারবালা) প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসের (সুলাইমানিয়াহ) বেতন সরাসরি এই (কিরকুক) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা (মসুল) করতে আইনত বাধ্য। (হিল্লাহ) নগদ টাকায় বেতন (নাসিরিয়াহ) গ্রহণ করা আধুনিক (ইরাকি-দিনার) মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার (বাগদাদ) দেশগুলোতে কার্যত বন্ধ (ইরাকি) হয়ে এসেছে। নিচে (বাসরাহ) প্রবাসীদের জন্য ব্যাংক (ইরবিল) অ্যাকাউন্ট খোলার পূর্ণাঙ্গ (নাজাফ) পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা (কারবালা) হলো:

প্রয়োজনীয় নথিপত্র

১. মূল সুলাইমানিয়াহ পাসপোর্ট ও ফটোকপি
২. দেশটির বৈধ (কিরকুক) রেসিডেন্স কার্ড (Iqama) (মসুল)
৩. হিল্লাহ কোম্পানির স্যালারি নাসিরিয়াহ সার্টিফিকেট বা ইরাকি-দিনার অফিশিয়াল লেটার
৪. মোবাইল নম্বর (বাগদাদ) (যা ইরাকি প্রবাসীর রেসিডেন্স কার্ডের সাথে (বাসরাহ) বায়োমেট্রিক নিবন্ধিত)
৫. সাম্প্রতিক ইরবিল পাসপোর্ট সাইজ ছবি

ডিজিটাল নিরাপত্তা ও (নাজাফ) কার্ডের যত্ন

আপনার এটিএম কার্ডের (কারবালা) ৪ ডিজিটের পিন (সুলাইমানিয়াহ) (PIN) নম্বর কোনো (কিরকুক) অবস্থাতেই মসুল সহকর্মী, রুমমেট কিংবা ফোনে (হিল্লাহ) কোনো অচেনা ব্যক্তিকে (নাসিরিয়াহ) বলবেন না। ব্যাংক (ইরাকি-দিনার) কখনোই ফোনে পিন (বাগদাদ) বা ওটিপি (OTP) (ইরাকি) জানতে চায় না। (বাসরাহ) কোনো কারণে কার্ড (ইরবিল) হারিয়ে গেলে ব্যাংকের (নাজাফ) টোল-ফ্রি কাস্টমার কেয়ারে (কারবালা) কল করে তাৎক্ষণিকভাবে (সুলাইমানিয়াহ) কার্ড ব্লক করুন। (কিরকুক)

অধ্যায় ৪৫

ইরাক-এ বাংলাদেশ মসুল দূতাবাসের কনস্যুলার সেবা ও (হিল্লাহ) পাসপোর্ট নবায়ন গাইড (নাসিরিয়াহ)

প্রবাস জীবনে ইরাকি-দিনার পাসপোর্ট হারানো, মেয়াদ শেষ (বাগদাদ) হয়ে যাওয়া কিংবা (ইরাকি) পারিবারিক যেকোনো আইনি (বাসরাহ) কাগজ সত্যায়নের জন্য (ইরবিল) প্রবাসীদের একমাত্র নির্ভরযোগ্য (নাজাফ) আশ্রয়স্থল হলো সংশ্লিষ্ট (কারবালা) দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ (সুলাইমানিয়াহ) দূতাবাস। ইরাক-এর বাংলাদেশ (কিরকুক) দূতাবাস প্রবাসী বাংলাদেশিদের (মসুল) নাগরিক সুরক্ষা ও (হিল্লাহ) সব ধরনের কূটনৈতিক (নাসিরিয়াহ) সহায়তা প্রদানে সার্বক্ষণিক (ইরাকি-দিনার) সেবা দিয়ে থাকে। (বাগদাদ) নিচে প্রধান প্রধান (ইরাকি) কনস্যুলার সেবাসমূহের বাসরাহ নিয়মাবলী তুলে ধরা হলো: (ইরবিল)

১. নাজাফ ই-পাসপোর্ট (e-Passport) রি-ইস্যু ও (কারবালা) নবায়ন

পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ (সুলাইমানিয়াহ) হওয়ার অন্তত ৬ (কিরকুক) থেকে ৮ মাস (মসুল) পূর্বেই হিল্লাহ অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ (নাসিরিয়াহ) করে ইরাকি-দিনার দূতাবাসে বায়োমেট্রিক ও ছবি (বাগদাদ) প্রদানের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। (ইরাকি) সাধারণ বাসরাহ ফির ক্ষেত্রে সাধারণত ৩ (ইরবিল) থেকে ৪ সপ্তাহের (নাজাফ) মধ্যে ঢাকা থেকে (কারবালা) প্রিন্ট হয়ে আসা (সুলাইমানিয়াহ) নতুন কিরকুক ই-পাসপোর্ট দূতাবাসে এসে পৌঁছায়। (মসুল)

২. বিদেশে জন্ম (হিল্লাহ) নেওয়া শিশুর জন্ম (নাসিরিয়াহ) নিবন্ধন ও ইরাকি-দিনার পাসপোর্ট

বিদেশে জন্ম নেওয়া (বাগদাদ) বাংলাদেশি সন্তানদের জন্য (ইরাকি) স্থানীয় হাসপাতালের জন্ম (বাসরাহ) সনদ দেশটির পররাষ্ট্র (ইরবিল) মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত (নাজাফ) করে বাংলাদেশ কারবালা দূতাবাসে জমা দিয়ে বাংলাদেশি (সুলাইমানিয়াহ) অনলাইন ডিজিটাল জন্ম (কিরকুক) নিবন্ধন এবং পরবর্তীকালে (মসুল) প্রথম হিল্লাহ পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যায়। (নাসিরিয়াহ)

৩. পাওয়ার অব (ইরাকি-দিনার) অ্যাটর্নি (Power of (বাগদাদ) Attorney) ও আমমোক্তারনামা (ইরাকি) সত্যায়ন

বিদেশে বসে বাংলাদেশে (বাসরাহ) জমিজমা কেনাবেচা, ব্যাংকের (ইরবিল) কাজ বা মামলা (নাজাফ) পরিচালনার জন্য কাউকে (কারবালা) দায়িত্ব দিতে চাইলে (সুলাইমানিয়াহ) দূতাবাসের কনস্যুলার কর্মকর্তার (কিরকুক) সামনে সশরীরে উপস্থিত (মসুল) হয়ে পাওয়ার অব (হিল্লাহ) অ্যাটর্নি দলিলে স্বাক্ষর (নাসিরিয়াহ) করতে হয়। এরপর (ইরাকি-দিনার) এটি বাগদাদ দূতাবাসে লাল সিল দিয়ে (ইরাকি) ভেরিফাই করা হয়। (বাসরাহ)

অধ্যায় ৪৬

ইরাক-এ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, (ইরবিল) পুষ্টি ও মানসিক (নাজাফ) সুস্থতা রক্ষার কারবালা নির্দেশিকা

প্রবাস জীবনের কঠোর (সুলাইমানিয়াহ) কর্মব্যস্ততা ও পারিবারিক (কিরকুক) বিচ্ছিন্নতার কারণে অনেক (মসুল) প্রবাসী ভাই নিজেদের (হিল্লাহ) শারীরিক ও মানসিক (নাসিরিয়াহ) স্বাস্থ্যের প্রতি উদাসীন (ইরাকি-দিনার) হয়ে পড়েন। বাগদাদ অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত (ইরাকি) খাবার খাওয়া, কম (বাসরাহ) পানি পান করা (ইরবিল) এবং অপর্যাপ্ত ঘুমের (নাজাফ) ফলে অল্প বয়সেই (কারবালা) উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি (সুলাইমানিয়াহ) জটিলতা ও হৃদরোগের (কিরকুক) ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে (মসুল) যায়। ইরাক-এর আবহাওয়ায় (হিল্লাহ) নিজেকে সুস্থ ও (নাসিরিয়াহ) কর্মক্ষম রাখতে চিকিৎসকদের (ইরাকি-দিনার) অনুসৃত নিচের স্বাস্থ্যবিধিগুলো (বাগদাদ) কঠোরভাবে মেনে চলুন: (ইরাকি)

১. পর্যাপ্ত পানি (বাসরাহ) পান ও ডিহাইড্রেশন (ইরবিল) প্রতিরোধ

মরু ও উষ্ণ (নাজাফ) অঞ্চলে কাজ করার (কারবালা) সময় শরীর থেকে (সুলাইমানিয়াহ) প্রচুর ঘাম বের (কিরকুক) হয়ে লবণ ও (মসুল) পানির ঘাটতি দেখা (হিল্লাহ) দেয়। তৃষ্ণা না (নাসিরিয়াহ) পেলেও দিনে অন্তত (ইরাকি-দিনার) ৩ থেকে ৪ (বাগদাদ) লিটার পরিষ্কার পানি (ইরাকি) ও স্যালাইন পান (বাসরাহ) করুন। অতিরিক্ত কোমল (ইরবিল) পানীয় (Soft Drinks) (নাজাফ) বা এনার্জি ড্রিংক (কারবালা) গ্রহণ করা থেকে (সুলাইমানিয়াহ) সম্পূর্ণ বিরত থাকুন, (কিরকুক) কারণ এটি কিডনির (মসুল) স্থায়ী ক্ষতি ডেকে (হিল্লাহ) আনে।

২. পুষ্টিকর খাবার (নাসিরিয়াহ) ও স্বাস্থ্যকর রান্না (ইরাকি-দিনার)

হোস্টেল বা মেসে (বাগদাদ) থাকার সময় তেল (ইরাকি) ও মসলাযুক্ত বাসি (বাসরাহ) খাবার এড়িয়ে চলুন। (ইরবিল) প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টাটকা (নাজাফ) শাকসবজি, ফলমূল, ডাল (কারবালা) ও মাছ-মাংসের সুষম (সুলাইমানিয়াহ) অনুপাত নিশ্চিত করুন। (কিরকুক) বাইরে খোলা বা (মসুল) অস্বাস্থ্যকর রেস্তোরাঁর খাবার (হিল্লাহ) খাওয়ার চেয়ে নিজে (নাসিরিয়াহ) রান্না করে খাওয়া (ইরাকি-দিনার) অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। (বাগদাদ)

৩. মানসিক প্রশান্তি (ইরাকি) ও পারিবারিক সংযোগ (বাসরাহ)

কাজের পর নিজের (ইরবিল) পরিবারের সাথে প্রতিদিন (নাজাফ) নির্দিষ্ট সময় ভিডিও (কারবালা) কলে কথা বলুন। (সুলাইমানিয়াহ) যেকোনো সমস্যা বা (কিরকুক) মানসিক চাপ মনের (মসুল) মধ্যে চেপে না (হিল্লাহ) রেখে বিশ্বস্ত বন্ধু (নাসিরিয়াহ) বা পরিবারের সাথে (ইরাকি-দিনার) ভাগ করে নিন। (বাগদাদ) অবসরে ইতিবাচক বিনোদন (ইরাকি) ও ধর্মীয় চর্চায় (বাসরাহ) মন দিলে প্রবাস (ইরবিল) জীবনের ক্লান্তি দূর (নাজাফ) হয়।

প্রশ্নোত্তর কর্নার

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (কারবালা) (Frequently Asked Questions (সুলাইমানিয়াহ) - FAQ)

১. ইরাক কিরকুক ভিসা প্রসেসিং হতে কতদিন (মসুল) সময় লাগে?

বাণিজ্যিক কাজের হিল্লাহ ভিসার জন্য লেবার কোটা (নাসিরিয়াহ) ও এন্ট্রি ইরাকি-দিনার পারমিট অনুমোদন হতে সাধারণত (বাগদাদ) ৩ থেকে ৬ (ইরাকি) সপ্তাহ সময় লাগে। (বাসরাহ) আর ট্যুরিস্ট ইরবিল ই-ভিসার ক্ষেত্রে সাধারণত নাজাফ আবেদন করার ২ থেকে (কারবালা) ৫ কার্যদিবসের মধ্যেই (সুলাইমানিয়াহ) অনুমোদন পাওয়া যায়। (কিরকুক)

২. কাজের মসুল ভিসার সরকারি খরচ কে (হিল্লাহ) বহন করে?

ইরাক শ্রম আইন (নাসিরিয়াহ) অনুযায়ী কাজের ইরাকি-দিনার ভিসার যাবতীয় বাগদাদ সরকারি কোটা ইরাকি ফি, এন্ট্রি বাসরাহ পারমিট ফি, বিমান টিকিট (ইরবিল) এবং দেশটিতে পৌঁছার (নাজাফ) পর Iqama ইস্যু (কারবালা) করার সুলাইমানিয়াহ খরচ সম্পূর্ণ নিয়োগকারী কিরকুক কোম্পানি বহন করার আইনগত (মসুল) বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

৩. হিল্লাহ মেডিকেল পরীক্ষায় কোনো রোগ (নাসিরিয়াহ) ধরা পড়লে কি (ইরাকি-দিনার) ভিসা হবে?

না, রক্তে হেপাটাইটিস (বাগদাদ) বি, সি, এইচআইভি (ইরাকি) কিংবা ফুসফুসে যক্ষ্মার (বাসরাহ) সক্রিয় দাগ থাকলে (ইরবিল) মেডিকেল রিপোর্টে 'UNFIT' (নাজাফ) আসে। কোনো অবস্থাতেই (কারবালা) মেডিকেল আনফিট অবস্থায় (সুলাইমানিয়াহ) দূতাবাস থেকে কিরকুক ভিসা স্ট্যাম্পিং করা সম্ভব (মসুল) নয়।

৪. বিএমইটি (BMET) (হিল্লাহ) স্মার্ট কার্ড ছাড়া (নাসিরিয়াহ) কি বিমানে ওঠা (ইরাকি-দিনার) যায়?

না, কাজের বাগদাদ ভিসায় বিদেশগামী যেকোনো বাংলাদেশি (ইরাকি) নাগরিকের জন্য জনশক্তি (বাসরাহ) ব্যুরোর বিএমইটি স্মার্ট (ইরবিল) কার্ড ছাড়া ঢাকা (নাজাফ) বিমানবন্দর কারবালা ইমিগ্রেশন পার হওয়া সম্পূর্ণ (সুলাইমানিয়াহ) অসম্ভব। কিরকুক ইমিগ্রেশন ডেস্কে এই কার্ড (মসুল) কার্ড-রিডারে স্ক্যান করা (হিল্লাহ) হয়।

৫. ট্যুরিস্ট নাসিরিয়াহ ভিসায় গিয়ে কি সেখানে (ইরাকি-দিনার) কাজের বাগদাদ ভিসায় পরিবর্তন করা যায়? (ইরাকি)

সাধারণ বাসরাহ নিয়মে ট্যুরিস্ট বা ভিজিট (ইরবিল) ভিসাকে সরাসরি কাজের (নাজাফ) ভিসায় রূপান্তর করা (কারবালা) যায় না। দেশটিতে (সুলাইমানিয়াহ) বৈধভাবে কাজের জন্য (কিরকুক) প্রার্থীর নিজ দেশ (মসুল) থেকে হিল্লাহ মেডিকেল ও বায়োমেট্রিক সম্পন্ন (নাসিরিয়াহ) করে বৈধ ওয়ার্ক (ইরাকি-দিনার) এন্ট্রি বাগদাদ পারমিট নিয়ে প্রবেশ করা (ইরাকি) বাধ্যতামূলক।

৬. দালাল যদি (বাসরাহ) জাল ইরবিল ভিসা দেয়, তবে কোথায় (নাজাফ) অভিযোগ জানাবেন?

দালাল ভুয়া কারবালা ভিসা দিলে বা প্রতারণা (সুলাইমানিয়াহ) করলে জেলা কর্মসংস্থান (কিরকুক) ও জনশক্তি মসুল অফিসে (DEMO) লিখিত অভিযোগ (হিল্লাহ) দায়ের করতে হবে। (নাসিরিয়াহ) এছাড়া ইরাকি-দিনার প্রবাসী কল্যাণ বাগদাদ মন্ত্রণালয়ের হেল্পলাইনে এবং প্রয়োজনে (ইরাকি) নিকটস্থ থানায় ফৌজদারি (বাসরাহ) প্রতারণার মামলা করা (ইরবিল) যায়।

৭. নাজাফ পাসপোর্টের মেয়াদ ৬ মাসের (কারবালা) কম থাকলে কি (সুলাইমানিয়াহ) ভিসা পাওয়া সম্ভব? (কিরকুক)

না, আন্তর্জাতিক মসুল ইমিগ্রেশন নিয়মে পাসপোর্টের মেয়াদ (হিল্লাহ) কমপক্ষে ৬ মাস (নাসিরিয়াহ) বা তার বেশি (ইরাকি-দিনার) থাকা বাধ্যতামূলক। মেয়াদ (বাগদাদ) কম থাকলে নতুন (ইরাকি) পাসপোর্ট ইস্যু করে (বাসরাহ) তারপর ইরবিল ভিসা আবেদনের ফাইল খুলতে (নাজাফ) হবে।

৮. কারবালা কোম্পানিতে কাজ করার সময় (সুলাইমানিয়াহ) মালিক কি কিরকুক পাসপোর্ট আটকে রাখতে পারে? (মসুল)

না, কোনো অবস্থাতেই (হিল্লাহ) মালিক বা নাসিরিয়াহ কোম্পানি কর্মীর মূল ইরাকি-দিনার পাসপোর্ট আটকে রাখতে পারে (বাগদাদ) না। আন্তর্জাতিক আইন (ইরাকি) এবং সংশ্লিষ্ট দেশের (বাসরাহ) শ্রম আইনে এটি (ইরবিল) দণ্ডনীয় ফৌজদারি অপরাধ। (নাজাফ)

৯. কারবালা চুক্তি শেষ হওয়ার আগে (সুলাইমানিয়াহ) জরুরি প্রয়োজনে দেশে (কিরকুক) ফিরতে চাইলে কী (মসুল) নিয়ম?

জরুরি পারিবারিক কারণে (হিল্লাহ) দেশে নাসিরিয়াহ ফিরতে চাইলে ইরাকি-দিনার কোম্পানির সাথে আলোচনা করে (বাগদাদ) সাময়িক ছুটির এক্সিট (ইরাকি) রি-এন্ট্রি বাসরাহ পারমিট নিতে হবে। আর (ইরবিল) চুক্তি বাতিল করতে (নাজাফ) চাইলে নোটিশ পিরিয়ডের (কারবালা) নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি (সুলাইমানিয়াহ) করতে হয়।

১০. বিদেশে কর্মরত (কিরকুক) অবস্থায় দুর্ঘটনায় আহত (মসুল) হলে ক্ষতিপূরণ কীভাবে (হিল্লাহ) পাওয়া যায়?

কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ঘটলে (নাসিরিয়াহ) কোম্পানির সামাজিক বীমা (ইরাকি-দিনার) থেকে পূর্ণ চিকিৎসা (বাগদাদ) ও স্থায়ী ক্ষতির (ইরাকি) ক্ষেত্রে আজীবন ক্ষতিপূরণ (বাসরাহ) পাওয়া যায়। এছাড়া (ইরবিল) বিএমইটির মাধ্যমে বাংলাদেশ (নাজাফ) সরকারের বীমা তহবিল (কারবালা) থেকেও এককালীন সহায়তা (সুলাইমানিয়াহ) প্রদান করা হয়। (কিরকুক)

১১. ইরাক-এর সিম (মসুল) কার্ড কিনতে কী (হিল্লাহ) কী কাগজপত্র লাগে? (নাসিরিয়াহ)

বিমানবন্দরে নামার পর (ইরাকি-দিনার) মূল বাগদাদ পাসপোর্ট এবং ইরাকি ভিসা পেপার দেখিয়ে সাময়িক (বাসরাহ) সিম কার্ড কেনা (ইরবিল) যায়। পরবর্তীতে মূল (নাজাফ) Iqama কার্ড পেলে (কারবালা) সিমটি স্থায়ীভাবে রেজিস্টার (সুলাইমানিয়াহ) করে নিতে হয়। (কিরকুক)

১২. দেশটিতে সাধারণ (মসুল) কর্মীদের ওপর কোনো (হিল্লাহ) ব্যক্তিগত আয়কর (Income (নাসিরিয়াহ) Tax) আছে কি? (ইরাকি-দিনার)

না, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে (বাগদাদ) সাধারণত শ্রমিক ও (ইরাকি) কর্মচারীদের বেতনের ওপর (বাসরাহ) কোনো ব্যক্তিগত প্রত্যক্ষ (ইরবিল) আয়কর ধার্য করা (নাজাফ) হয় না। অর্জিত (কারবালা) সম্পূর্ণ অর্থই নিজের (সুলাইমানিয়াহ) অ্যাকাউন্টে জমা থাকে। (কিরকুক)

১৩. ছুটিতে দেশে (মসুল) গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে (হিল্লাহ) ফিরতে না পারলে (নাসিরিয়াহ) করণীয় কী?

ছুটির মেয়াদ শেষ (ইরাকি-দিনার) হওয়ার আগেই বাগদাদ কোম্পানির মাধ্যমে ইরাকি অনলাইনে রি-এন্ট্রি বাসরাহ পারমিটের মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে (ইরবিল) হবে। মেয়াদ উত্তীর্ণ (নাজাফ) হয়ে গেলে আর (কারবালা) ওই সুলাইমানিয়াহ ভিসায় ফেরা সম্ভব হয় (কিরকুক) না।

১৪. মসুল কোম্পানি দেউলিয়া বা বন্ধ (হিল্লাহ) হয়ে গেলে নাসিরিয়াহ কর্মীদের কী হয়?

শ্রম আদালতের নির্দেশে (ইরাকি-দিনার) কোম্পানির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ (বাগদাদ) বা ব্যাংক গ্যারান্টি (ইরাকি) থেকে বাসরাহ কর্মীদের বকেয়া বেতন বুঝিয়ে (ইরবিল) দেওয়া হয় এবং (নাজাফ) নতুন কারবালা কোম্পানিতে ফ্রি ট্রান্সফারের সুযোগ (সুলাইমানিয়াহ) দেওয়া হয়।

১৫. অবৈধভাবে অবস্থান (কিরকুক) করলে সাধারণ ক্ষমার (মসুল) (Amnesty) সুবিধা পাওয়া (হিল্লাহ) যায় কি?

মাঝে মাঝে সরকার (নাসিরিয়াহ) সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা (ইরাকি-দিনার) করে থাকে যার (বাগদাদ) আওতায় কোনো জেল-জরিমানা (ইরাকি) ছাড়াই আউটপাস নিয়ে (বাসরাহ) নিজ দেশে ফেরত (ইরবিল) আসার আইনি সুযোগ (নাজাফ) প্রদান করা হয়। (কারবালা) তবে সবসময় বৈধ (সুলাইমানিয়াহ) নিয়মে চলা সবচেয়ে (কিরকুক) নিরাপদ।

১৬. দেশে রেমিট্যান্স (মসুল) পাঠানোর সময় হিল্লাহ সরকারি প্রণোদনা কীভাবে পাওয়া (নাসিরিয়াহ) যায়?

বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত (ইরাকি-দিনার) বৈধ ব্যাংক বা (বাগদাদ) এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে (ইরাকি) রেমিট্যান্স পাঠালে সরকার (বাসরাহ) নির্ধারিত ২.৫% থেকে (ইরবিল) ৫% পর্যন্ত সরাসরি (নাজাফ) নগদ প্রণোদনা ব্যাংক (কারবালা) অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্ত (সুলাইমানিয়াহ) হয়ে যায়। হুন্ডির (কিরকুক) মাধ্যমে টাকা পাঠালে (মসুল) কোনো প্রণোদনা পাওয়া (হিল্লাহ) যায় না এবং (নাসিরিয়াহ) এটি আইনত দণ্ডনীয় (ইরাকি-দিনার) অপরাধ।

১৭. বিদেশে ড্রাইভিং (বাগদাদ) লাইসেন্স কীভাবে তৈরি (ইরাকি) করতে হয়?

ইরাক-এর বৈধ রেসিডেন্স (বাসরাহ) কার্ড পাওয়ার পর (ইরবিল) স্থানীয় নাজাফ ট্রাফিক পুলিশ অনুমোদিত ড্রাইভিং (কারবালা) স্কুলে ভর্তি হতে (সুলাইমানিয়াহ) হয়। কিরকুক মেডিকেল টেস্ট ও আই-টেস্ট (মসুল) সম্পন্ন করার পর (হিল্লাহ) সিগন্যাল ও প্র্যাকটিক্যাল (নাসিরিয়াহ) রোড টেস্টে পাস (ইরাকি-দিনার) করলে স্থানীয় ড্রাইভিং (বাগদাদ) লাইসেন্স ইস্যু করা (ইরাকি) হয়।

১৮. বিদেশে ব্যক্তিগত (বাসরাহ) কোনো বিপদে পড়লে (ইরবিল) দূতাবাসের সহায়তা পাওয়ার (নাজাফ) নম্বর কোনটি?

ইরাক-এ অবস্থিত বাংলাদেশ (কারবালা) দূতাবাসের জরুরি কনস্যুলার (সুলাইমানিয়াহ) হেল্পলাইন এবং বাংলাদেশের (কিরকুক) প্রবাসী কল্যাণ মসুল মন্ত্রণালয়ের সার্বক্ষণিক হটলাইন (+8809610102030) নম্বরে (হিল্লাহ) ফোন করে যেকোনো (নাসিরিয়াহ) মুহূর্তে সরাসরি আইনি (ইরাকি-দিনার) বা কূটনৈতিক সহায়তা (বাগদাদ) গ্রহণ করা যায়। (ইরাকি)

১৯. বিদেশে বাসরাহ কর্মীর পাসপোর্ট বা আকামা (ইরবিল) হারিয়ে গেলে তাৎক্ষণিক (নাজাফ) করণীয় কী?

পাসপোর্ট বা রেসিডেন্স (কারবালা) কার্ড হারিয়ে গেলে (সুলাইমানিয়াহ) বিলম্ব না করে (কিরকুক) নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনে (মসুল) সাধারণ ডায়েরি বা (হিল্লাহ) লস্ট রিপোর্ট (Lost (নাসিরিয়াহ) Report) দায়ের করতে (ইরাকি-দিনার) হবে। এরপর পুলিশ (বাগদাদ) রিপোর্টের কপি নিয়ে (ইরাকি) বাংলাদেশ বাসরাহ দূতাবাসে জরুরি ট্রাভেল পাস (ইরবিল) বা নতুন নাজাফ পাসপোর্ট রি-ইস্যুর কারবালা আবেদন জমা দিতে হয় (সুলাইমানিয়াহ) এবং কিরকুক ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে কার্ডটি (মসুল) পুনরায় প্রিন্ট করে (হিল্লাহ) নিতে হয়।

২০. মালিকের সাথে (নাসিরিয়াহ) বিরোধ দেখা দিলে (ইরাকি-দিনার) বা বাগদাদ চুক্তি ভঙ্গ হলে শ্রম (ইরাকি) আদালতে মামলা করার (বাসরাহ) নিয়ম কী?

মালিক যদি ইরবিল নিয়মিত বেতন প্রদান না (নাজাফ) করে কিংবা কারবালা চুক্তিবহির্ভূত কাজ করতে বাধ্য (সুলাইমানিয়াহ) করে, তবে ইরাক-এর (কিরকুক) শ্রম মসুল মন্ত্রণালয়ের অনলাইন পোর্টালে সরাসরি (হিল্লাহ) লেবার কমপ্লেইন্ট দাখিল (নাসিরিয়াহ) করা যায়। অভিযোগ (ইরাকি-দিনার) পাওয়ার পর শ্রম (বাগদাদ) আদালত উভয় পক্ষকে (ইরাকি) ডেকে নিয়ে শুনানি (বাসরাহ) করে এবং অধিকাংশ (ইরবিল) ক্ষেত্রে কোনো উকিল (নাজাফ) ফি ছাড়াই কারবালা কর্মীর পাওনা আদায় করে (সুলাইমানিয়াহ) দেয়।

২১. বিদেশযাত্রার পূর্বে (কিরকুক) কোন কোন নথিপত্রের (মসুল) ফটোকপি পরিবারের কাছে (হিল্লাহ) রেখে যাওয়া আবশ্যক? (নাসিরিয়াহ)

দেশত্যাগের পূর্বে আপনার (ইরাকি-দিনার) মূল বাগদাদ পাসপোর্ট, ভিসা পেপার, বিএমইটি (ইরাকি) স্মার্ট কার্ড, পুলিশ (বাসরাহ) ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, ইরবিল মেডিকেল ফিটনেস রিপোর্ট এবং (নাজাফ) রিক্রুটিং কারবালা এজেন্সির সাথে স্বাক্ষরিত সুলাইমানিয়াহ চুক্তিনামার অন্তত ৩ সেট (কিরকুক) রঙিন ফটোকপি পরিবারের (মসুল) নির্ভরযোগ্য অভিভাবকের কাছে (হিল্লাহ) রেখে যান। পরবর্তীতে (নাসিরিয়াহ) কোনো সংকট দেখা (ইরাকি-দিনার) দিলে বাগদাদ মন্ত্রণালয় বা আদালতে এই (ইরাকি) কপিগুলো অত্যন্ত জরুরি (বাসরাহ) প্রমাণ হিসেবে কাজ (ইরবিল) করে।

২২. বিদেশে নতুন (নাজাফ) অবস্থায় কোনো আইনি (কারবালা) জটিলতায় পড়লে প্রাথমিক (সুলাইমানিয়াহ) পদক্ষেপ কী হওয়া (কিরকুক) উচিত?

কোনো আইনি জটিলতা (মসুল) বা পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের (হিল্লাহ) মুখোমুখি হলে কখনোই (নাসিরিয়াহ) ভয় পেয়ে পালিয়ে (ইরাকি-দিনার) যাবেন না বা (বাগদাদ) নিজের বৈধ রেসিডেন্স (ইরাকি) কার্ড ছাড়া চলাফেরা (বাসরাহ) করবেন না। সাথে (ইরবিল) সাথে নাজাফ কোম্পানির পিআরও (PRO) বা (কারবালা) সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত মানবসম্পদ (সুলাইমানিয়াহ) কর্মকর্তাকে অবহিত করুন (কিরকুক) এবং পরিস্থিতি জটিল (মসুল) হলে বাংলাদেশ হিল্লাহ দূতাবাসের লেবার উইংয়ে যোগাযোগ (নাসিরিয়াহ) করে ইরাকি-দিনার অফিশিয়াল আইনি প্রতিনিধিত্ব গ্রহণ (বাগদাদ) করুন।