বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার কর্মী প্রতি বছর বিভিন্ন সেক্টরে কাজের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া গমন করেন। তবে ভিসা প্রসেসিংয়ের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় প্রতারিত হওয়া এড়াতে প্রতিটি ধাপ নিজে থেকে ট্র্যাক করা অপরিহার্য।

কলিং ভিসা প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপসমূহ

মালয়েশিয়ার কাজের ভিসা সাধারণত কয়েকটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়:

  1. কোটা অনুমোদন ও বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন: নিয়োগকারী কোম্পানি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে কর্মী আমদানির সরকারি অনুমোদন পায়।
  2. এফডব্লিউসিএমএস (FWCMS) মেডিকেল: কর্মী অনুমোদিত প্যানেল মেডিকেল সেন্টারে শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে ফিট সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন।
  3. ভিসা এপ্রুভাল লেটার (VAL) জারি: ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট সব যাচাই শেষে কর্মীর নামে অফিশিয়াল কলিং লেটার বা VAL ইস্যু করে।
  4. ই-ভিসা (e-Visa) স্ট্যাম্পিং: VAL পাওয়ার পর বাংলাদেশে মালয়েশিয়া হাইকমিশন থেকে ডিজিটাল ওয়ার্ক ভিসা বা এন্ট্রি ভিসা ইস্যু হয়।

গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ: কোনো দালাল বা মধ্যস্থতাকারী যদি দাবি করে যে মেডিকেল পরীক্ষা ছাড়াই কলিং ভিসা বের হয়েছে, তবে তা শতভাগ ভুয়া। মালয়েশিয়ার আইনে ডিজিটাল মেডিকেল ডাটা ছাড়া কোনো VAL প্রস্তুত হয় না।

মালয়েশিয়া ভিসা অনুমোদনের বিভিন্ন পর্যায়

প্রক্রিয়ার ধাপবর্তমান অবস্থাঅর্থ ও পরবর্তী পদক্ষেপ
New Applicationআবেদন জমা পড়েছেকোম্পানি ইমিগ্রেশনে প্রাথমিক কাগজপত্র দাখিল করেছে
Pending Approvalইমিগ্রেশনে পর্যালোচনাধীনসিকিউরিটি স্ক্রিনিং চলছে, ৭-১০ দিন সময় লাগতে পারে
Approved / VAL Issuedকলিং অনুমোদন সম্পন্নআসল VAL ডাউনলোড করে হাইকমিশনে ভিসার আবেদন করুন
Rejectedআবেদন নামঞ্জুর হয়েছেকোম্পানি পর্যাপ্ত শর্ত পূরণ করতে পারেনি

ভুয়া কলিং ভিসা থেকে সতর্ক থাকুন

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের লক্ষ্য করে প্রায়ই ভুয়া VAL কাগজ তৈরি করা হয়। আসল ডকুমেন্টে অবশ্যই:

  • মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের ওয়াটারমার্ক এবং বারকোড থাকবে।
  • কোম্পানির আসল নাম ও ROC রেজিস্টার্ড নম্বর উল্লেখ থাকবে।
  • সংশ্লিষ্ট সেক্টর (যেমন: Manufacturing, Construction, Plantation, Agriculture) স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে।